১৩ জুলাই ২০২০

কারা পেতেন ক্যাসিনো থেকে আয়ের ভাগ, নাম বলেছেন খালেদ

কারা পেতেন ক্যাসিনো থেকে আয়ের ভাগ, নাম বলেছেন খালেদ - ছবি : সংগৃহীত

যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া গ্রেফতারের পর র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। ক্যাসিনো ব্যবসার সাথে দেশি-বিদেশি সিন্ডিকেটের বিষয়েও তিনি মুখ খুলেছেন। ক্যাসিনো পরিচালনা থেকে আসা আয়ের ভাগ কার কার কাছে যেত তাদের নামও বলেছেন খালেদ।

সূত্র জানায়, রাজধানীর ফকিরাপুলের ইয়াংমেনস ক্লাবের অবৈধ ক্যাসিনো মালিক যুবলীগ নেতা খালেদ যাদের নাম বলেছেন, তাদের মধ্যে বিদেশে অবস্থানকারী আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসী এবং রাজিনীতিবিদও রয়েছেন। প্রশাসনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের ম্যানেজ করেই ক্যাসিনো ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন খালেদ।

যুবলীগের একজন প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় থেকে ক্যাসিনো ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করতেন বলেও জানিয়েছেন খালেদ। তার দেয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করছে র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, খালেদ তাদের কাছে দাবি করেছেন, প্রতিটি ক্যাসিনোতে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা লেনদেন হতো। লাভের অংশের টাকা তিনি প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দিতেন। কাউকে কাউকে তিনি গাড়িও উপহার দিয়েছেন। অনেককে দামি মোবাইল ফোনও উপহার দিয়েছেন। পুলিশের ডিসি থেকে ওসি পর্যন্ত মাসিক ভিত্তিতে টাকার ভাগ পৌঁছে দিতেন বলেও জানান তিনি।

পুলিশের উচ্চপর্যায় পর্যন্ত তার ক্যাসিনো ব্যবসার কথা জানত। ক্যাসিনোর অর্থ তিনি বিদেশে অবস্থানকারী আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসীদের কাছেও পৌঁছে দিতেন। মগবাজার এলাকার একসময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী নাজির আরমান নাদিম ও শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের হয়ে তিনি ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ করতেন। তাদের তিনি ঢাকা থেকে অর্থ পাঠাতেন।

র‌্যাবের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে খালেদ জানিয়েছেন, ক্যাসিনো ব্যবসা ও চাঁদাবাজি করে আয় করা কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। আন্ডারওয়ার্ল্ডের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এসব টাকা পাচার করেছেন তিনি।

তবে কত টাকা তিনি পাচার করেছেন, এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে এরই মধ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছেন গোয়েন্দারা।

বুধবার রাতে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে গুলশানের বাসা থেকে খালেদ মাহমুদকে অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেফতার করে র‌্যাব। দুপুরের পর থেকে ইয়াংমেনস ক্লাবের ক্যাসিনোতেও অভিযান চালায় র্যা ব।

বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তিনি র‌্যাব ৩-এর হেফাজতে ছিলেন। দুপুরের পর তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। বিকালে তার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মাদক, অস্ত্র ও মানি লন্ডারিং আইনে আলাদা তিনটি এবং মতিঝিল থানায় মাদক আইনে একটি মামলা করে র‌্যাব।

খালেদ বর্তমানে ডিবি (উত্তর) কার্যালয়ে রয়েছেন। সেখানেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তার মামলাগুলো তদন্ত করছে ডিবি।


আরো সংবাদ

রিজেন্ট ও জেকেজির গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন, প্রশ্ন রিজভীর নোয়াখালীতে ৩০ মেট্রিক টন সরকারী গম আটক, গ্রেফতার ১ ইরানে এবার দ্বিতীয় দফা সংক্রমণ, হু হু করে বাড়ছে মৃত্যু ১২ ভারতীয়কে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করছে বিএসএফ ‘করোনা পার্টি’তে যোগ দেয়া তরুণের মৃত্যু বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি : ময়ূর-২ লঞ্চের মাস্টার গ্রেফতার ‘সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকারকারী দাম্ভিক মানুষটিও আজ তার করুণা প্রার্থনা করছে’ জেকেজির চেয়ারম্যান সাবরিনা ৩ দিনের রিমান্ডে ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে মৃত্যু বন্ধ পাটকল শ্রমিকদের পাওনা এক বছরের মধ্যে মিটিয়ে দেয়া হবে টানা বৃষ্টিপাতে বিপাকে ভুট্টা চাষীরা

সকল