০৫ আগস্ট ২০২০

ছোট ভাই হত্যার বিচার দাবীতে জাবি শিক্ষার্থীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

নিহত শিশু আব্দুর রহমান - সগৃহীত
24tkt

জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলায় শিশু আব্দুর রহমানকে গলাকেটে হত্যার দুই মাস অতিক্রম হলেও হত্যাকারীদের এখনো শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। জয়পুরহাটে ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদালয়ে কয়েকবার সঠিক তদন্ত ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেও প্রশাসনের সহায়তা ও দৃষ্টি আকর্ষণ করাতে পারেনি বলে ক্ষুব্ধ নিহত আব্দুর রহমানের পরিবার। দীর্ঘ দুই মাস ধরে পোস্টমর্টাম, মামলা ও তদন্ত নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ধর্ণা দিয়েও কাজ না হওয়ায় সঠিক বিচারের ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করছে নিহতের পরিবার।
শনিবার আশা হারিয়ে ফেসবুকে আবেগঘন স্টাট্যাস দেয় নিহত আব্দুর রহমানের বড় ভাই ও জাবি আইআইটি বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মুমিনুল ইসলাম। তার স্টাট্যাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো, ‘আমার ছোট ভাই আব্দুর রহমান (১১) হত্যাকাণ্ডের ২ মাস পার হলো, এখনো মামলার কোন অগ্রগতি নাই। জিজ্ঞেস করলে পুলিশ বলে, তারা পোস্টমর্টাম রিপোর্ট পায়নি। রিপোর্ট আসতে দেরি হচ্ছে, আরোও সময় লাগবে। জানি না এর শেষ ফলাফল কি হবে? কোন মামলার বিচার পাওয়া না পাওয়া এখন মিডিয়া ও রাজনীতির উপর নির্ভর করে। মিডিয়া কোন মামলাকে জোড়ালো উপস্থাপন করলে রাজনৈতিক মহল থেকে পুলিশের উপর চাপ আসে। তখন আমাদের কর্তব্য জ্ঞানহীন কিছু আলসে পুলিশ মামলার তদন্ত গুরুত্ব দিয়ে শুরু করে। ভাই হত্যার বিচারের দাবীতে এলাকায় মানববন্ধনের আয়োজন করে সাংবাদিকদের ফোন দিলাম। এক সাংবাদিক বলল ভাই, তেল খরচ দিতে হবে! ফলে মানববন্ধন হলো কিন্তু ফোকাস হলো না। আজ আমরা সাংবাদিকদের কাছে বন্দী। বিশেষ করে জেলা, উপজেলা পর্যায়ে।
ডাক্তার একটি পবিত্র পেশা। সরকারি ডাক্তারগুলোকে সরকার নিয়মিত বেতন দিচ্ছেন। তারপরও কিছু অসৎ চোর বাটপার দিনের পর দিন সাধারণত মানুষকে হয়রানি করছে। হয়তো তেমনি দায়িত্বজ্ঞানহীন ডাক্তারের অবহেলায় রিপোর্ট আসতে দেরি হচ্ছে? পুলিশের অবহেলার কারণে দিনের পর দিন সময় নষ্ট করে মামলার এভিডেন্স (আলামত) গুলো নষ্ট করে ফেলে। উপর থেকে কোন চাপ না থাকলে প্রায় মামলাগুলো মুখ থুবড়ে পরে থাকছে।
সঠিক বিচার পেতে হলে বাংলার প্রতি ঘরে ঘরে একজন রাজনীতিবিদ, একজন সাংবাদিক, একজন পুলিশ অফিসার থাকতে হবে। অন্যথায় গ্রীক দেবতা হারকিউলিস এর মতো নিজের মামলার বিচার নিজেরই করতে হবে।’
উল্লেখ্য, জয়পুরহাটের পাচঁবিবির উপজেলার ধুরইলের শিশু আব্দুর রহমান গত ১৫ মার্চ দুপুর আড়াইটার দিকে বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত স্কুলে খেলতে অথবা পাখির ছানা সংগ্রহ করতে যায়। সেই সময় ওই স্কুলে কে বা কারা তাকে গলা কেটে হত্যা করে। এলাকায় কথিত আছে যে, এই পরিত্যক্ত স্কুলে অসামাজিক কার্যকালাপ হয়। সম্ভবত আব্দুর রহমান (১১) সে রকম কোনো ঘটনা দেখতে পায়। ঘটনার যেন কোনো সাক্ষী না থাকে তাই শিশুটিকে হত্যা করা হতে পারে বলে পরিবার দাবি করছে।


আরো সংবাদ

হিজবুল্লাহর জালে আটকা পড়েছে ইসরাইল! (৩৮৭৬৩)আবারো তাইওয়ান দখলের ঘোষণা দিল চীন (১৭২৩৫)মরুভূমির ‘এয়ারলাইনের গোরস্তানে’ ফেলা হচ্ছে বহু বিমান (১২৫২৩)সিনহা নিহতের ঘটনায় পুলিশ ও ডিজিএফআই’র পরস্পরবিরোধী ভাষ্য (৯৫৯১)হামলায় মার্কিন রণতরীর ডামি ধ্বংস না হওয়ার কারণ জানালো ইরান (৮৭৮৫)সহকর্মীর এলোপাথাড়ি গুলিতে ২ বিএসএফ সেনা নিহত, সীমান্তে উত্তেজনা (৭৫৯৬)ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল লেবাননের রাজধানী (৭১৪৬)বিবাহিত জীবনের বেশিরভাগ সময় জেলে এবং পালিয়ে থাকতে হয়েছে বাবুকে : ফখরুল (৬১৫১)চীনের বিরুদ্ধে গোর্খা সৈন্যদের ব্যবহার করছে ভারত : এখন কী করবে নেপাল? (৫৫৮১)করোনায় আক্রান্ত এমপিকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়েছে (৪৪৬৩)