০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯, ১০ রজব ১৪৪৪
ads
`

জয়ের ভিত্তি গড়েও আড়ালে ‘সাইলেন্ট কিলার’ মাহমুদউল্লাহ

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ - ছবি - ইন্টারনেট

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা পার্শ্ব চরিত্র। যে চরিত্র নিজের সবটা বিলিয়েও থেকে যায় আধাঁরে। যখন দলের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তখন নিজেকে উজাড় করে দিতে জানেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু দিন শেষে অনেক নামের ভিড়ে হারিয়ে যান। আড়ালে পড়ে যায় তার কীর্তিগুলো। বনে যান পার্শ্বনায়ক। পাদপ্রদীপের নিচে থাকাই যেন তার নিয়তি!

কালও একই দৃশ্য দেখা গেল। ম্যাচ শেষে মিরাজ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে, সব আলো একাই নিয়েছেন কেড়ে, তার সাথে সেলফি নিতে সমর্থকদের লাইন লেগেছে; জয়ের ভিত্তি গড়ে দেয়া মাহমুদউল্লাহ তখন আড়ালে, নিঃসঙ্গে, আনমনে। কেউ আসেনি তার সাথে সেলফি নিতে, কেউ আসেনি এগিয়ে আড্ডা দিতে। ম্যাচ খেলেছেন, জিতেছেন। অতঃপর আলাদা হয়ে একা গিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক কোণে!

মিরাজ তো আছেনই, সাকিব আল হাসান তো বরাবরই সমর্থকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। ইবাদত, লিটন, মোস্তাফিজও আছেন আগ্রহের তালিকাতে। অতঃপর শুরু হয় দলীয় ফটোসেশন, বাধ্য হয়ে মাঠের কোণা থেকে এগিয়ে আসেন রিয়াদ, দাঁড়ান দলের সাথে। হাসি মুখে সবার সাথে ছবি তুলে নীরবে এগিয়ে যান ড্রেসিংরুমের দিকে। অন্যদিকে বাকিরা ছবি তোলা শেষে খুনসুটিতে ব্যস্ত।

মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে ছিল না বাড়তি কোনো উন্মাদনা। অথচ এই জয়ের অন্যতম কাণ্ডারী তিনি, তার গড়ে দেয়া ভিত্তিতেই ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারনী জয় পায় বাংলাদেশ।

মাত্র ৬৯ রানে ৬ উইকেট পড়ে যাওয়া দলটাকে টেনে তুলেছেন ধ্বংসস্তুপ থেকে। ৪৬ ওভার শেষে মিরাজের সাথে ১৪৮ রানের জুটি ভেঙে যখন মাহমুদউল্লাহ ফিরলেন, দলীয় রান তখন ৭ উইকেটে ২১৭। আর মাহমুদউল্লাহর নামের শেষে তখন ৯৬ বলে ৭৭ রান। যেখানেই বড় সংগ্রহের ভিত্তি পায় বাংলাদেশ আর জিতে যায় ম্যাচ। নায়ক হয়েও আড়ালে থাকা ‘সাইলেন্ট কিলার’ মাহমুদউল্লাহকে বেশ ভালোভাবেই পর্যবেক্ষণ করেছেন ভারতের আরেক ‘নীরব ঘাতক’ খ্যাত ক্রিকেটার দীনেশ কার্তিক।

মাহমুদউল্লাহর অবদান সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দলে সে আছেই এই দায়িত্ব পালনের জন্য। মিডল ওভারের চাপটা সে নিতে পারে। যা তার সবচেয়ে বড় শক্তি। আর আমরা জানি শেষের দিকে সে কী করতে পারে। আজ আউট হওয়ার আগে ঠিক সেটাই করেছে মাহমুদউল্লাহ। তার জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল ৬০ রানে ৬ উইকেটের মতো অবস্থা থেকে দলকে একটা নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়া। ঠিক সেটাই সে করেছে।’


আরো সংবাদ


premium cement
ঢাবির শিক্ষক রহমত উল্লাহর একাডেমিক কার্যক্রম চালাতে বাধা নেই শর্তসাপেক্ষে ‘ফারাজ’ চলচ্চিত্র মুক্তির অনুমতি দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট গাজায় ফের ইসরাইলি বিমান হামলা আশুগঞ্জে ঘরের সিঁধ কেটে মা ও ২ সন্তানকে কুপিয়ে জখম শেয়ার বাজারে শেষ ৯ দিনে একটানা দরপতন আদানি শেয়ারের ইউক্রেন পৌঁছেছেন ইইউ প্রধান এলপিজির দাম বাড়লো আরো ২৬৬ টাকা সামরিক ঘাঁটিতে আরো বেশি মার্কিন প্রবেশ দিতে সম্মত ফিলিপাইন বিভাগীয় সমাবেশ উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির বর্ধিত সভা সরকার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে : মির্জা ফখরুল ৮৫০ দিন পর মুক্তি পেলেন সেই ভারতীয় মুসলিম সাংবাদিক

সকল