০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯, ১০ রজব ১৪৪৪
ads
`

মিরাজের পর রিয়াদের ফিফটি


খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। পাশাপাশি করেছেন অর্ধশত।

৫৫ বলে ৫০ করেছেন মিরাজ। তিনটি বাউন্ডারি ও দুটি ছক্কায় সাজিয়েছেন ফিফটি।

এরপর অর্ধশত করেন মাহমুদউল্লাহ। ৭৪ বলে চারটি বাউন্ডারিতে ৫০ করেন তিনি।

এই জুটিতে ভর করে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৮৮ রান।

মাহমুদউল্লাহর সংগ্রহ ৮৪ বলে ৫৭ রান। আর মিরাজ আছেন ৬৬ বলে ৬১ রান নিয়ে।

বাংলাদেশের হয়ে সব শেষে সাজঘরে ফিরেছেন আফিফ হোসেন। শূন্য হাতে মাঠ ছেড়েছেন তিনি। 

এর আগে ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে ধাওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মুশফিকুর রহীম। তার ব্যাট থেকে এসেছে ২৪ বলে ১২ রান।

সকালে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। তার সাথে ওপেনিংয়ে ছিলেন এনামুল হক বিজয়। শুরুটা ভালোই করেছিলেন তারা। কিন্তু সেই ভালোটা বেশিক্ষণ রইলো না। ৯ বলে ২ বাউন্ডারিতে ১১ রান করা বিজয় জীবন পেয়েও সেটা হেলায় নষ্ট করেন।

মোহাম্মদ সিরাজের করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের চতুর্থ বলে স্লিপে সহজ ক্যাচ দিয়েছিলেন বিজয়। কিন্তু রোহিত শর্মা সেই ক্যাচ ফেলে দেন। হাতে ব্যথা পেয়ে মাঠ ছাড়েন ভারতীয় অধিনায়ক। পরের বলেই আউট বিজয়।

ওভারের পঞ্চম বলটি বিজয়ের প্যাডে বল লাগলে আবেদন করেন সিরাজ, আম্পায়ারও আঙুল তুলে দেন। অধিনায়ক লিটন দাসের সঙ্গে পরামর্শ করে রিভিউ নিয়েছিলেন টাইগার ওপেনার। কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যায়, বল মিডল স্টাম্পে আঘাত হানতো।

এনামুল হক বিজয়ের পর লিটন দাসকেও সাজঘরের পথ দেখান মোহাম্মদ সিরাজ। ভারতীয় এই পেসারের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক (২৩ বলে ৭)।

ইনিংসের ১২তম ওভারে উমরান মালিক বল হাতে নিয়েই গতিতে ঝড় তুলেছেন। সাকিব আল হাসানকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে তাকে সামলাতে। এক ওভারেই কয়েকবার পরাস্ত হন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তবে ওই ওভারটি মেইডেন দিলেও আউট দেননি সাকিব।

এক ওভার পর নাজমুল হোসেন শান্তকে পেয়ে আর উইকেট তুলে নিতে দেরি করেননি উমরান। প্রথম বলেই তিনি ১৫১ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতির এক বলে ভেঙে দেন শান্তর স্টাম্প। ৩৫ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২১ রান করে ফেরেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

এরপর সাকিব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ওয়াশিংটন সুন্দরকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে আকাশে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ২০ বলে ৮ রানেই থামে অভিজ্ঞ এই ব্যাটারের ইনিংসটি।


আরো সংবাদ


premium cement