১০ ডিসেম্বর ২০২২, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরি
`

বড় জয়ে শেষ হাসি ইংল্যান্ডের

বড় জয়ে শেষ হাসি ইংল্যান্ডের - ছবি : সংগৃহীত

ফের ব্যর্থ বাবর-রিজওয়ান, ব্যর্থ পাকিস্তান। শুধু আজকের গল্প নয়, এশিয়া কাপ থেকেই এমন উপাখ্যান। চিত্রনাট্য যেন এভাবেই লেখা, বাবর-রিজওয়ানেই উড়বে বিজয়ের পতাকা। বিপরীতে দাদার দেশে খেলতে এসে সুখস্মৃতি নিয়েই মইন আলি ফিরছেন হাসিমুখে, বিজয়ীর বেশে। সিরিজের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়েছেন ৬৭ রানে।

রোববার সাত ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে আরো একবার লাহোরের গাদ্দাফী স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয় পাকিস্তান। শুধুই খেলার জন্য খেলা নয়, এই ম্যাচেই লুকিয়ে ছিল সিরিজের সমাধান। সকল সমীকরণ মেলাতে, ষোলো আনা শিহরণ ছড়াতে দুটো দল প্রস্তুত হয়েই মাঠে নামে। সিরিজের প্রথম ছয় ম্যাচে ৩-৩ সমতার ফলে, ম্যাচটা রূপ নিয়েছিল অলিখিত ফাইনালে।

ষষ্ঠ ম্যাচে লাহোরে ফ্লাইডলাইটের আলোয় দলের সব বড় আলো ছাড়াই যদিও পাকিস্তান খেলতে নামে, তবে রিজওয়ান ফিরেছেন আজ একাদশে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে উপলক্ষে ফিরেছেন খুশদিল শাহ, হারিস রউফ ও মোহাম্মদ হাসনাইনও। ইংল্যান্ডের একাদশে পরিবর্তন একটি, রিচার্ড গিলিসনের পরিবর্তে একাদশে এসেছেন ক্রিস ওকস।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আগের ম্যাচের ছন্দ ধরে রেখে নান্দনিক শুরু ইংল্যান্ডের। ৪ ওভারেই স্কোরবোর্ডে ৩৯ রান। তবে পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই হাসনাইনের শিকার হয়ে ফের ১৮ রানেই ফিরেছেন এলেক্স হেলস। এক বল পরেই ব্যক্তিগত ২০ রানে রান আউটের ফাঁদে পড়েন ফিলিপ সল্ট। তবে মালান-ডাকেট জুটির ৬২ রানের আগ্রাসী জুটিতে সাময়িক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠে ইংল্যান্ড। দশম ওভারে ১৯ বলে ৩০ রানে বেন ডাকেটও রান আউট হয়ে ফিরে যাবার আগে দলকে পৌঁছে দিয়ে যান তিন অংকের ঘরে।

পুরো সিরিজে নিভু নিভু আলো ছড়ানো মালান, ব্যাট হাতে আজ দাঁড়িয়ে যান। হ্যারি ব্রককে সাথে করে দাপটের ইনিংসটাকে এগিয়ে নিয়ে যান। ৬১ বলের হার না মানা জুটিতে দুজনের সংগ্রহ ১০৮ রান। ৮ চার আর ৩ ছক্কায় ৪৭ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলেন মালান, ২৯ বলে চার ছক্কায় হ্যারি ব্রক তার ৪৬ রানের ইনিংস সাজান। ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ২০৯ রান।

২১০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় পাকিস্তানের সমর্থকদের চোখ হয়তো তখন ফিরে গেছে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে। তবে চোখ ঘুরিয়ে আনতে আনতেই সেই ম্যাচের দুই স্বপ্নদ্রষ্টাই ফিরে গেছেন দলীয় ৫ রানের মাঝে। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ইফতেখারও ফিরেন ১৯ রানে। ২৭ করে ফিরেছেন খুশদিল শাহও। আজও ব্যর্থ আসিফ আলি। নাওয়াজও রান পাননি। ম্যাচ ততক্ষণে পাকিস্তান হেরে গেছে, ২ ওভারে ৮১ সম্ভব কিভাবে?

নাওয়াজের বিদায়ের পর শাদাব খান না নামায় বুঝাই যাচ্ছিল পাকিস্তান নিয়তি মেনে নিয়েছে। পাকিস্তানের এই ম্যাচে বলার মতো আসলে কিছুই নেই। তবে শান মাসুদের মান বাঁচানো ফিফটি হয়তো শুধু স্কোরবোর্ডটাই সুন্দর দেখাবে। ২৬ রানে ৩ উইকেট নেন ক্রিস ওকস, ২ উইকেট উইলির ঝুলিতে। ১৪২ রানেই থেমে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। ইংল্যান্ডের জয় ৬৭ রানে।


আরো সংবাদ


premium cement