০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ন ১৪২৯, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরি
`

পেসারদের নিয়ে উচ্ছ্বসিত শ্রীরাম

পেসারদের নিয়ে উচ্ছ্বসিত শ্রীরাম - ছবি : নয়া দিগন্ত

আরব আমিরাতের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে ইবাদত-তাসকিন জুটির বল দেখে কিছুক্ষণের জন্য কি মনে হয়নি যে স্টার্ক-কামিন্স জুটি নেমে এসেছেন আরব সাগর পাড়ে, লাল-সবুজের জার্সি গায়ে!

মাপা লাইন লেন্থ, দুর্বার গতি, দুর্বিষহ বাউন্স আর গায়ে কম্পন তোলা আগ্রাসন। কী দারুণ ছন্দ দু’জনের যুগলে। এমন ছন্দময় বোলিং কি হরহামেশাই দেখা মেলে। যখন দেখা যায়, তখন অবাক হয়েই তাকিয়ে থাকতে হয়। বলতে হয়, আমরাও পারি।

যদিও প্রতিপক্ষ আরব আমিরাত। শক্তির বিচারে বলতে পারেন দুর্বল, আছে তফাত। কিন্তু তাতে কী আসে যায়, লক্ষ্য ঠিক রাখা বল তো ভারত, অস্ট্রেলিয়াকেও কাঁপায়। ফলে তাসকিন-ইবাদত জুটিকে পাশ মার্ক দেয়াই যায়, তারা সফল রোটেশন পরিকল্পনায়।

অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে কিংবা দলকে জেতাতে বড় ভূমিকা রাখতে হবে পেসারদের। পেসাররাই পার্থক্য এনে দেবে জয়-পরাজয়ের মধ্যখানে। ফলে দলের প্রধান পেসারদের হিসাব-নিকাশ করে খেলাতে চায় বাংলাদেশ। বিশ্রাম দিয়ে পরিকল্পনা মাফিক রোটেশন পদ্ধতি মেনে তাসকিন, ইবাদত, শরিফুল, মুস্তফিজ ও হাসান মাহমুদকে ব্যবহার করতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট।

যার ব্যবহার সদ্য শেষ হওয়া আরব আমিরাত সিরিজেও দেখা গেছে। যেখানে রোটেশন পদ্ধতি সফল বলেই বিবেচিত হয়েছে। প্রথম ম্যাচে দু’বাঁহাতি মুস্তাফিজ ও শরিফুলকে খেলায় ম্যানেজমেন্ট। দু’জনে সাত দশমিক চার ওভার বল করে ৫২ রানে শিকার করেন ৫ উইকেট। দ্বিতীয় ম্যাচে তাসকিন-ইবাদত জুটি মাত্র ২ উইকেট শিকার করলেও ৮ ওভারে দেন মাত্র ৪৬ রান। সাথে দেখার মতো ছিলো দু’বোলারের আক্রমণ।

বোলারদের এমন আচরণে খুশি টি-টোয়েন্টি কনসালট্যান্ট শ্রীধরন শ্রীরাম। গণমাধ্যমকে তিনি জানান, ‘আমি বার বার উন্নতির কথা বলছিলাম, আর তারা সেটা করে দেখিয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কৃতিত্ব তাদেরকেই দিতে হবে।’

আগামী ত্রি-দেশীয় সিরিজেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান শ্রীরাম। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের ফাস্ট বোলারদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলাতে চেয়েছিলাম এবং সামনেও একই কাজ করা হবে। সামনে ত্রি-দেশীয় সিরিজ আছে। সেখানে ছেলেদের জন্য এটা একটা ভিন্নধর্মী চ্যালেঞ্জ হবে।’


আরো সংবাদ


premium cement