০৪ জুলাই ২০২২, ২০ আষাঢ় ১৪২৯, ৪ জিলহজ ১৪৪৩
`

টেস্ট ক্রিকেট অনেক ভালোবাসি : বিজয়

বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে যাচ্ছেন এনামুল হক বিজয়। - ছবি : সংগৃহীত

ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মের কারণে ডাক পেয়েছেন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে। তবে টেস্ট দলেও সুযোগ পেয়েছেন ইয়াসির আলীর ইনজুরির কারণে। খুব বেশি অঘটন না হলে শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে যাচ্ছেন এনামুল হক বিজয়।

টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে বিজয়ের উচ্ছ্বাসের শেষ নাই। সুযোগ পেলে নিজের সেরাটা দিতে মুখিয়ে আছে এই তারকা ব্যাটার। ক্যারিয়ারের চার টেস্টের সবশেষটি তিনি খেলেছিলেন ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে, এই সেন্ট লুসিয়াতেই! তখন স্টেডিয়ামের নাম ছিল বোশেজো স্টেডিয়াম। এখন নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দেয়া সেন্ট লুসিয়ার সন্তান ড্যারেন স্যামির নামে।

লম্বা সময় পর টেস্ট খেলার সামনে দাঁড়িয়ে স্বাভাবিকভাবেই রোমাঞ্চিত এনামুল। বিসিবির ভিডিওবার্তায় বললেন, সুযোগটি হারাতে চান না হেলায়। তিনি বলেন, ‘এটা সত্যি যে আমি সাদা বলের ক্রিকেটে ডাক পেয়েছিলাম এবং সাদা বলে অনুশীলন করছিলাম। তবে মাথার ভেতর সবসময় আগেও অনেকবার বলেছি এবং নিজে বিশ্বাস করি, টেস্ট ক্রিকেট অনেক বেশি ভালোবাসি। এটা আমার মধ্যে অনেক বেশি তীব্রভাবে কাজ করে। যখন সুযোগ পাব, অবশ্যই লুফে নেয়ার চেষ্টা করব।’

‘৮ বছর পর টেস্টে ডাক পেয়েছি, আমার জন্য এটা বড় সুযোগ। আমি যে আসলেই টেস্ট পছন্দ করি, তা দেখানোর বড় সুযোগ এটি। আমি অবশ্যই রোমাঞ্চিত। প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করব, যেভাবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট এতদিন ধরে অনুসরণ করে আসছি। নতুন করে কিছু বদলাতে চাই না। যেভাবে এতদিন খেলেছি মন দিয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে, সেটাই চেষ্টা করব দেশের জন্য করার।’

টেস্টের প্রতি ভালোবাসাই এনামুলের জন্য জ্বালানি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তার কাছে প্রেরণার উৎস। তিনি বলেন, ‘এটাই আমার সাহস, এটাই শক্তি। আমি মনে করি যে এটা আমাকে বাড়তি সাহস জোগায়, মনের কোণে থাকে, নিজেকে একটা জায়গায় নিয়ে গেছি যে এই জিনিসগুলো দেখলে আমার বাড়তি প্রেরণা বলুন বা আত্মবিশ্বাস, আসে এটা। অবশ্যই এটা আমাকে সাহায্য করবে।’

‘আমার জন্য এটা বড় অভিজ্ঞতা যে এতদিন ধরে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেছি। প্রতিটি ক্রিকেটারের স্বপ্ন থাকে যে সে অভিজ্ঞ হবে এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবে। আমিও আশাবাদী যে অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে এবং দেশের হয়ে অবদান রাখতে পারব।’

সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন সামি স্টেডিয়ামে এর আগে বাংলাদেশ খেলেছে দুটি ম্যাচ। ২০০৪ সালে প্রথম ম্যাচে ড্র করেছিল বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ হেরে যায় ২৯৬ রানের বড় ব্যবধানে। আট বছর পর আবার সেই সেন্ট লুসিয়া। পারবে বাংলাদেশ ভালো কিছু উপহার দিতে?


আরো সংবাদ


premium cement