১৬ অক্টোবর ২০২১
`

নভেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসছে পাকিস্তান

এর আগে সবমিলিয়ে ১৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুদল। - ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর বাংলাদেশ সফরে আসছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরবর্তী সময়ের জাতীয় দলের এই সূচির কথা মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

বাংলাদেশ সফরে তারা খেলবে তিনটি টি-টোয়েন্টি এবং দুটি টেস্ট ম্যাচ। এগুলো হবে ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুটি ভেন্যুতে।

এর আগে সবমিলিয়ে ১৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুদল। যেখানে পাকিস্তানের ১০ জয়ের বিপরীতে বাংলাদেশের জয় মাত্র দুটি। বাকি একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। টাইগারদের পাওয়া একমাত্র জয়টি ছিল ঘরের মাঠ শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুরে। সবশেষ দুই টি-টোয়েন্টিতেও বড় ব্যবধানে হারের স্বাদ পেয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

টেস্ট ক্রিকেটের হিষেব-নিকেশের দিকে চোখ দিলে আরো শোচনীয় অবস্থা টাইগারদের। পাকিস্তানের বিপক্ষে সাদা পোশাকে কোনো জয় তো নেই-ই, ড্র করাটাও যেন হয়ে উঠে রীতিমতো দুঃসাধ্য কাজের শামিল। ১২টি টেস্ট ম্যাচে সর্বোচ্চ একবার ড্র করার সফলতা দেখাতে পেরেছে বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে খুলনায় সেই কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন সাকিব-মুশফিকরা। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে, বাকি সবকটি ম্যাচই জিতে নিয়েছিল পাকিস্তান।

তবে পরিসংখ্যান মেনে তো আর ক্রিকেট চলে না। রিয়াদের বর্তমান টি-টোয়েন্টি দল বলুন কিংবা লিটল মাস্টার মুমিনুল হকের টেস্ট দল, দুটি দলই এখন বেশ পরিপক্ব। পাকিদের চোখ রাঙাতে মুখিয়ে থাকবে নিশ্চয়ই, তা অবশ্য বলার অপেক্ষা রাখে না। সাথে টাইগারদের আত্মবিশ্বাসের ঝুলিও মেলা ভার। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মতো পরাশক্তিকে মাটিতে নামিয়ে দেয়া বাংলাদেশকে এবার নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে পারে পাকিস্তান।

মিরপুরে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে ১৯ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে পাকিস্তানের এই সফর। সিরিজের বাকি দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচও অনুষ্ঠিত হবে একই ভেন্যুতে, ২০ ও ২২ নভেম্বর। ২৬ থেকে ৩০ নভেম্বর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ৪ থেকে ৮ ডিসেম্বর, ঢাকায়।



আরো সংবাদ