০১ জুন ২০২০

কাজটি আফ্রিদি করেননি!

শাহিদ আফ্রিদি - সংগৃহীত

পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি রোববার দাবি করেছেন, ২০১০ সালের স্পট-ফিক্সিংয়ের খবর তিনি প্রকাশ্যে আনেননি। উল্লেখ্য, ইংল্যান্ড সফরে ২০১০ সালে পাকিস্তানের তিন ক্রিকেটার সালমান বাট, মোহাম্মদ আমির ও মোহাম্মদ আসিফ স্পট-ফিক্সিং কাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছিলেন।

সম্প্রতি শাহিদ আফ্রিকার আত্মজীবনী ‘গেম চেঞ্জার’ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে এই স্পট-ফিক্সিংয়ের প্রসঙ্গটি রয়েছে। পাকিস্তানের একটি সংবাদপত্র এই খবরটি প্রথম প্রকাশ্যে এনেছিল। সেই খবর নাকি আফ্রিদি দিয়েছিলেন বলে শোনা গিয়েছিল। তবে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক আফ্রিদির দাবি, ‘সালমান বাট, মোহাম্মদ আসিফ ও মোহাম্মদ আমির মনে করে আমি খবরটা দিয়েছিলাম। কিন্তু এটা সত্য নয়। ইংল্যান্ডে আমার এক বন্ধু থাকত। সে পাকিস্তান মিডিয়াকে খবরটা জানায়। কিন্তু ও যে এই খবর কোনো সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, সেটা কিন্তু আমাকে একবারও বলেনি। পরে ওই সংবাদপত্রটি আরো তদন্ত করে, স্টিং অপারেশন করে অভিযুক্ত ক্রিকেটারদের প্রকাশ্যে এনেছিল।’

আফ্রিদি আরো বলেছেন, ‘স্পট-ফিক্সিংয়ের খবরটা প্রথম জানতে পেরেছিলাম সতীর্থ আবদুর রজ্জাকের কাছ থেকে। ২০১০ সালে টি-২০ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচের পর রজ্জাক আমাকে এসে বলে, সালমান বাটের খেলা দেখে সন্দেহ হচ্ছে। প্রথমে আমি বিশ্বাস করিনি। আমি রজ্জাককে বলেছিলাম, ওরা তোমার ছোট ভাইয়ের মতো। কথায় আছে, পাপ কাউকে ছাড়ে না। পরে অভিযুক্ত ক্রিকেটারদের মধ্যে একজনের মোবাইল ফোন খারাপ হয়ে যায়। ইংল্যান্ডের একটি মোবাইল সারানোর দোকানে যায় সে। মোবাইল সারাতে গিয়ে দোকানের মালিক প্রথম স্পট-ফিক্সিং সংক্রান্ত মেসেজ পড়ার পর আমার বন্ধুকে জানায়। পরে আমি বন্ধুর কাছ থেকে পুরো বিষয়টি জানতে পারি। শুনে খুব খারাপ লেগেছিল। তখনই মনে হয়েছিল রজ্জাকের কথাগুলো ভুল নয়। তিন ক্রিকেটার স্পট-ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়েছে বলে আমারও সন্দেহ হয়।’

২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন শাহিদ আফ্রিদি। তবে স্পট-ফিক্সিং কাণ্ডে সালমান বাটের মতো উদীয়মান তারকা ব্যাটসম্যান জড়িয়ে পড়ায় তিনি বেশ কষ্ট পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন আফ্রিদি। সাবেক পাক অধিনায়কটি বলেছেন, ‘আমি যখন বাট, আসিফ ও আমিরের ফোনের মেসেজগুলো পড়ি, তারপর বেশ কিছুদিন রাতে ঘুমোতে পারিনি। সত্যি কথা বলতে কী, তিন পাকিস্তানি ক্রিকেটারের মেসেজ পড়ার খবরটাও রজ্জাককে লজ্জায় বলতে পারিনি।’ কিন্তু তিনি পুরো বিষয়টি জানার পরও কেন সালমান বাটকে কিছু বলেননি? জবাবে আফ্রিদি জানান, ‘আমি ভীষণ হতাশ ছিলাম। ভেবেছিলাম, এত বড় ব্যাপার সবার আগে টিম ম্যানেজমেন্টকেই জানানো দরকার। আমি সেটাই করি। সব শুনে টিম ম্যানেজমেন্টের এক সদস্য বলেন, এখন আর কী করার আছে! এই স্পট-ফিক্সিং কাণ্ডের পরেই আমি টেস্ট ক্রিকেট ও ক্যাপ্টেন্সি ছেড়ে দেশে ফিরে এসেছিলাম।’

তৎকালীন পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্ট কি কোনো ব্যবস্থা নিয়েছিল? আফ্রিদি জানান, ‘আমি যতটুকু জানি টিম ম্যানেজমেন্ট আমার থেকে সব কিছু শোনার পর তিন ক্রিকেটারসহ গোটা দলকে সাবধান করে দিয়েছিল। যাতে কেউ মাজহার মজিদের মতো বুকির থেকে দূরে থাকে। পরে স্পট-ফিক্সিং কাণ্ডে দোষী প্রমাণিত হয়েছিলেন মজিদ।’


আরো সংবাদ

ভারতীয় সুতা আমদানি রুখতে বিটিএমএ’র অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক আরোপের দাবি আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গরা বহুকাল ধরে পুলিশি বর্বতার শিকার : ইলহান ওমর হিন্দুত্ববাদের জনক সাভারকর ছিলেন ব্রিটিশ এজেন্ট : বিচারপতি কাটজুর ইসলামের দৃষ্টিতে সুবিচার বসনিয়ার ইসলামী শিক্ষার শ্রেষ্ঠ পীঠস্থান গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগে ভারত থেকে দুই পাকিস্তানি কূটনীতিক বহিষ্কার আবাসিকে ঢাকা ওয়াসার পানির মূল্য ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবাসহ আটক ৩ করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ঢাবি অধ্যাপক ঢামেক করোনা ইউনিটে ২৪ ঘণ্টায় ২২ জনের মৃত্যু লালমোহনে সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের মাঝে এমপি শাওনের পিপিই বিতরণ

সকল





justin tv maltepe evden eve nakliyat knight online indir hatay web tasarım ko cuce Friv buy Instagram likes www.catunited.com buy Instagram likes cheap Adiyaman tutunu