২৬ মে ২০২০

আইপিএলে উপেক্ষিত সাকিব দেশে ফিরছেন কবে

আইপিএলে উপেক্ষিত সাকিব দেশে ফিরছেন কবে - সংগৃহীত

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএলে) সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এর আগে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএলের ৭টি আসর কাটিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। সর্বশেষ নিলামে দুই কোটি রুপিতে তাকে কিনে নেয় হায়দরাবাদ।

আইপিএল ২০১৯ সিজনে এখন পর্যন্ত সাকিবের দল সাতটি ম্যাচ খেলেছে। সাত ম্যাচে শুধুমাত্র প্রথম ম্যাচ ছাড়া বাকি ম্যাচগুলোতে সাইড লাইনে বসিয়ে রাখা হয়েছে সাকিবকে। বিশ্বের নামকরা সব লিগেই স্পিনঘূর্ণির ভেলকি দেখিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই অপস্পিনার। ব্যাটে-বলে সেরা নৈপুণ্য দেখিয়ে যিনি গত কয়েক বছর ধরে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসির) অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানে রয়েছেন। হায়দরাবাদের হয়ে সেই ক্রিকেটারই টানা ছয়টি ম্যাচ উপেক্ষিত।

কিন্তু এর আগের আসরেও সাকিব ছিলেন হায়দরাবাদের নিয়মিত খেলোয়াড়। অনেক ম্যাচে দলকে জিতেয়িছেন অথবা জয়ে অবদান রেখেছেন। ২০১৯ আসরে হায়দরাবাদের হয়ে সাকিব এখন পর্যন্ত একটি ম্যাচ খেলেছেন। সেই ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৩.২ ওভার বল করে ৪২ রান দিয়ে এক উইকেট শিকার করেন সাকিব। প্রথম ৩ ওভারে ২৯ রান দিলেও শেষ ওভারে ৪ বলে দেন ১৩ রান। কলকাতার জয়ের জন্য শেষ ওভারে যখন প্রয়োজন ১২ রান, তখন অধিনায়ক ভুবেনশ্বর কুমার বল তুলে দেন সাকিবের হাতে। কিন্তু ব্যাট হাতে তখন মাঠে ছিলেন কলকাতার দুই বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান আন্দ্রে রাসেল এবং সুবম্যান গিল। সাকিবের প্রথম ৪ বলে ১৩ রান তুলে জয় নিশ্চিত করেন দুই ব্যাটসম্যান। আর এতেই সাকিবের মূল্য শেষ। কিন্তু সাকিবের জায়গায় আফগান ক্রিকেটার মোহাম্মদ নবীকে জায়গা দেয়া হয়েছে। সে নবীই বা কেমন খেলছেন?

উপেক্ষিত এই অলরাউন্ডারের পূর্বের পারফরম্যান্সের দিকে তাকালে বুঝা যায় উনি আসলে কতটা প্রমাণিত। এক ম্যাচে সাকিবদের বিচার করা কেমন সাজে? আইপিএল ২০১১ সিজনে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে ৬.৮৬ ইকোনোমি রেটে সাত ম্যাচে ১১ উইকেট শিকার করেন এবং ব্যাট হতে দুই ম্যাচে ২৯ রান করেন। আইপিএল ২০১১ সিজনে ৮ ম্যাচে ৬.৫ ইকোনোমি রেটে নিয়েছেন ১২ উইকেট। ব্যাট হাতে ফইনালে ৭ বলে ১১ রান করে কলকাতার চ্যাম্পিয়নে অবদান রাখেন। ২০১৪ সিজনে বল হাতে ১৩ ম্যাচে ১১ উইকেট এবং ব্যাট হাতে ৩২.৪২ গড়ে ২২৭ রান করেন। ২০১৫ সিজনে ৪ ম্যাচ খেলে ৪ উইকেট পেয়েছেন এবং ব্যাট হাতে করেন ৩৬ রান।

টানা ছয় ম্যাচে উপক্ষিত সাকিবকে সামনের ম্যাচগুলোতে নেবে কি না দলে তা অনিশ্চিত। তবে আসন্ন বিশ্বকাপ এবং তার আগে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজকে সামনে রেখে আগামী ২২ এপ্রিল প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু হবে জাতীয় দলের। তার আগেই দেশে ফিরতে হবে এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে।

সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপত (বিসিবি) নাজমুল হাসান পাপন সাংবাদকদের বলেন, ‘২২ এপ্রিল ক্যাম্প শুরু হচ্ছে। তার আগেই সাকিবকে চিঠি পাঠাতে বলেছি। যত দ্রুত সম্ভব চিঠিটা পাঠাতে হবে। দেখা যাক সে কি জবাব দেয়।’

বিসিবি সভাপতি আরো বলেন, ‘যেহেতু ২২ তারিখ থেকে ক্যাম্প শুরু হচ্ছে তাই তাকে চিঠি দেয়া দরকার। তাহলে সে ক্যাম্পে যোগ দিতে পারবে।’

এক সপ্তাহের ক্যাম্প শেষে ৩০ এপ্রিল ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নিতে আয়ারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হবে বাংলাদেশ দল।


আরো সংবাদ





maltepe evden eve nakliyat knight online indir hatay web tasarım ko cuce Friv gebze evden eve nakliyat buy Instagram likes www.catunited.com buy Instagram likes cheap Adiyaman tutunu