১০ এপ্রিল ২০২০

টিনএজারদের অনলাইন নিরাপত্তায় করণীয়

-

আমাদের টিনএজারদের মানসিক বিকাশ অনেকাংশেই প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে পড়ছে। সম্প্রতি অনলাইনে টিনএজারদের নিরাপদ রাখতে ফেসবুকের প্যারেন্ট পোর্টালে কিছু টিপস দিয়েছে। ফেসবুকের প্যারেন্ট পোর্টালে দেয়া কয়েকটি টিপস তুলে ধরা হলো, যেগুলো অনুসরণ করে সন্তানের অনলাইন অভিজ্ঞতা ইতিবাচক করে তোলা সম্ভব।
সন্তানের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব মা-বাবার। এ বিষয়ে মা-বাবা এবং সন্তানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আপনার সন্তান কতণ অনলাইনে সময় কাটাবে, সেটা নির্ধারণ করে দিতে পারেন। অনলাইনে অনেক ভালো ও মজার অ্যাক্টিভিটি আছে, যা আপনার সন্তানদের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
টিনএজাররা প্রতিদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যয় করছে। তবে সামাজিক যোগাযোগ প্লাটফর্মে প্রবেশের আগেই সন্তানের সাথে প্রযুক্তির নানা দিক নিয়ে আলোচনা করুন। এতে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের েেত্র গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিষয়ে বুঝতে পারবে এবং অনলাইনে নিরাপদ থাকবে।
টিনএজাররা কৌতূহলি এবং বড় হওয়ার সাথে সাথে তাদের অনেক অজানা বিষয়ে জানার আগ্রহ বেড়ে যায়। তাই আপনার সন্তান যাতে কোনো অ্যাডাল্ট সাইট ভিজিট না করে কিংবা তাদের অনলাইনে ভুলবশত কোনো অ্যাডাল্ট কনটেন্ট না আসে, সে জন্য মোবাইল, ট্যাবলেট কিংবা ল্যাপটপের পাশাপাশি ব্রডব্যান্ড সংযোগে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সিস্টেম বা সফটওয়্যার ইনস্টল করুন।
আপনার সন্তানকে সময় বেঁধে দিন দিনের কতটুকু সময় অনলাইনে থাকতে পারবে। কোন কোন ওয়েবসাইট, অ্যাপগুলো তারা ব্যবহার করতে পারবে এবং কোন কাজগুলো অনলাইনে করতে পারবে। অনলাইন গেমিংয়ের সময়, মেসেজিং কিংবা কারো সাথে যোগাযোগ করার সময় তাদের বাচনভঙ্গি এবং আচরণ কেমন হওয়া উচিত তা বুঝিয়ে বলুন।
পড়াশোনা কিংবা কোনো বিষয়ে শেখার েেত্র ইন্টারনেট সহায়ক ভূমিকা রাখে। আপনার সন্তান কোন ওয়েবসাইটগুলো পছন্দ করে তা আপনাকে দেখাতে উৎসাহিত করুন এবং জানতে চান তারা সেখান থেকে কী শিখছে।
আপনার সন্তানকে প্রযুক্তি পণ্যের ভালো-মন্দ দিকগুলো নিয়ে উপদেশ দিন এবং ব্যবহারের নিয়ম জানিয়ে দিন। মোবাইল ফোন দেয়ার দিনই নিয়মগুলো ঠিক করে দেয়ার সঠিক সময়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে সময় ঠিক করে দিতে হলে আপনাকেও তা মেনে চলতে হবে। ঠিক করে দিন রাত ১০টার পর ফোনে কাউকে মেসেজ পাঠানো যাবে না কিংবা খাবার টেবিলে মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না। স আহমেদ ইফতেখার


আরো সংবাদ