০৫ এপ্রিল ২০২০

ফেসবুকে বিপজ্জনক কনটেন্ট বন্ধে রাষ্ট্রকেই কঠোর হতে হবে

-

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অন্যতম জনপ্রিয় সাইট ফেসবুকে বিপজ্জনক অনলাইন কনটেন্ট বন্ধের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আরো কঠোর আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান মার্ক জাকারবার্গ। তিনি বলেছেন, কোনো বক্তব্য ‘আইনসম্মত ও বৈধ’ কি না সেটি বিচার করা ফেসবুকের মতো কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়। সামাজিকমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা হলে সেটি মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণœ করবে। সম্প্রতি জার্মানির মিউনিখে নিরাপত্তাবিষয়ক এক সম্মেলনে এসব কথা বলেন জাকারবার্গ।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনলাইনে মিথ্যা খবর ও গুজব ছড়ানো বন্ধের জন্য ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন বিষয়ে ফেসবুকের নীতির কারণে সংস্থাটি ব্যাপক সমালোচনার শিকার হয়েছে।
জাকারবার্গ বলেন, সমাজে সমতার ভারসাম্য রক্ষার কাজটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বদলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নেবে এমনটা চাই না আমরা। এর বদলে সরকারকেই সামাজিকমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান তিনি।
একটা শ্রেণী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ও বিপজ্জনক কনটেন্ট তৈরি করে তারাও নিজেদের পরিচয় গোপন করতে, আইপি অ্যাড্রেস লুকিয়ে রাখার কাজে ক্রমে শক্তিশালী হচ্ছে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৩৫ হাজার কর্মীর একটি দল রয়েছে ফেসবুকের, যাদের কাজ প্রতিটি কনটেন্টের মূল্যায়ন এবং এর নিরাপত্তার দিকটি খতিয়ে দেখা। কৃত্রিম বুদ্ধির সাহায্যে সংস্থাটি প্রতিদিন দশ লাখের বেশি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে। জাকারবার্গ জানিয়েছেন, কন্টেন্ট রিভিউ করার জন্য এখন আমাদের যে বাজেট, তা ২০১২ সালে যখন আমরা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হই সে সময় কোম্পানির মূল আয়ের চেয়ে বেশি। স আহমেদ ইফতেখার

 


আরো সংবাদ