০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৮, ১৬ রজব ১৪৪৪
ads
`

সহকারী প্রক্টরের অনৈতিক কর্মকাণ্ড তদন্তের দাবি শিক্ষক ফোরামের

-

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মাহমুদুর রহমান জনির অনৈতিক কর্মকাণ্ডের তদন্ত দাবি করেছে শিক্ষকদের একাংশ। জনির বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে তদবিরের জন্য একাধিক অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ করেছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম।
গত শনিবার রাত ১১টায় ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহছান ও সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুল আহসান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এসব তথ্য জানা যায়।


এতে উল্লেখ করা হয়, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে অনৈতিক সম্পর্কের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্ক ও অর্থের বিনিময়ে নারী শিক্ষার্থীদের ফলাফল ও নিয়োগে বেআইনি প্রভাব বিস্তার করেছেন বলে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ওই একই শিক্ষক ক্যাম্পাসসংলগ্ন এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় ক্ষুব্ধ জনতা কর্তৃক প্রহারের শিকারও হয়েছেন। এসব অভিযোগের সত্যতা থাকলে, বিশ্ববিদ্যালয় জন্য অসম্মানজনক হওয়ার পরও ওই শিক্ষককে বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্বে বহাল রেখে অসামাজিক কার্যকলাপের সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া হয়েছে, যার দায় প্রশাসন কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।’
যুক্ত বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘এসব অগ্রহণযোগ্য আচরণের মাধ্যমে শিক্ষকতার মহান পেশায় কালিমা লেপনের পাশাপাশি পুরো দেশের কাছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে।’


নেতৃবৃন্দ ভিসি অধ্যাপক নূরুল আলমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ন্যায়বিচারের স্বার্থে অভিযুক্ত শিক্ষককে সব ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখতে হবে। পাশাপাশি অবিলম্বে একটি গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিটি গঠন করে এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।’
এ ব্যাপারে ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহছান বলেন, ‘যদি ওই শিক্ষক দোষী হয়ে থাকে তাহলে তার চাকরিতে থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এ ঘটনায় প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য লজ্জাকর ব্যাপার।’
প্রসঙ্গত, সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান জনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের শিক্ষক। সম্প্রতি সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষিকা আনিকা বুশরা বৈচির সাথে তার অন্তরঙ্গ ছবি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর দেয়ালে পোস্টারিং করা হয়। এ ঘটনার পরে জনির আরো বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কার্যক্রমের চিত্র ফাঁস হয়। এ ছাড়াও মাহমুদুর রহমান জনি ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
এ বিষয়ে তৎকালীন শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহমেদ রাসেল বলেন, ‘জনির এ ধরনের ঘটনার সাথে জড়িত থাকা ছাত্রলীগের জন্য বিব্রতকর। এটি নৈতিকতার চরম অবক্ষয়। এগুলো সত্য প্রমাণিত হলে তার শাস্তি হওয়া উচিত।’


আরো সংবাদ


premium cement
ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় নিহত সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়াল আদানি গ্রুপের কাছ থেকে কেন বেশি দামে বিদ্যুৎ কারণ হচ্ছে, প্রশ্ন এমপি চুন্নুর সরকারের সমালোচনা কখনো রাষ্ট্রদ্রোহী হতে পারে না : জি এম কাদের ভূমিকম্পের ৩৩ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ৪ বছরের শিশু বেড়াতে এসে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে শিশুর মৃত্যু নদী শুকিয়ে যাওয়ায় কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে ঢাকায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ৩ লাখ প্রাণহানির শঙ্কা সূচক বাড়লেও লেনদেন ও অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে মুকিদুলে মুগ্ধতা ছড়াল কুমিল্লা হাফেজ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দেবে মারকাযুল ফুরকান শিক্ষা পরিবার রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষমতা শেখ হাসিনাকে দেয়া হয়েছে

সকল