০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২০ অগ্রহায়ন ১৪২৯, ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরি
`
কুতুবের জামিন বাতিলের রায় প্রকাশ

বয়স ও অসুস্থতা বিবেচনায় জামিন দেয়ার সুযোগ নেই : আপিল বিভাগ

-

শুধুমাত্র বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দণ্ডিত অপরাধীকে জামিন দেয়ার সুযোগ নেই বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বিচারপতি মো: নূরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ মো: কুতুব উদ্দিন আহমেদের জামিন বাতিল করে দেয়া রায়ে এ পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি কৃঞ্চা দেবনাথ। গত ৩১ আগস্ট আপিল বিভাগ শ্বশুরসহ কয়েকজন আত্মীয়ের নামে ১০ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দ করে আত্মসাতের ঘটনায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা কুতুব উদ্দিন আহমেদকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বাতিল করে রায় দেন।
পূর্ণাঙ্গ এ রায় রোববার প্রকাশিত হয় বলে গতকাল দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান জানিয়েছেন।
রায়ে আপিল বিভাগ বলেছেন, কোনো মামলায় জামিন দেয়া বা না দেয়া হাইকোর্টের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। কিন্তু যখন কোনো মামলায় যুক্তির বাইরে গিয়ে হাইকোর্ট জামিনের সিদ্ধান্ত দেয়, তখনই আপিল বিভাগ হস্তক্ষেপ করে। বর্তমান মামলায় আসামির আপিল শুনানির জন্য প্রস্তুত থাকার পরও শুনানি না করে আসামিকে জামিনে মুক্তির আদেশ দিয়েছেন, যা ন্যায়সঙ্গত হয়নি। হাইকোর্টের উচিত ছিল, যেহেতু আসামির আপিল শুনানির জন্য প্রস্তুত সেহেতু দ্রুত নিষ্পত্তি করা। কিন্তু সেটা না করে বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে জামিন দিয়েছে। এ কারণে আমরা মনে করি হাইকোর্টের জামিনের সিদ্ধান্ত ছিল অবিবেচনাপ্রসূত ও ন্যায়ভ্রষ্ট। সেজন্য ওই জামিন আদেশ বাতিল করা হলো।
রায়ে আদালত বলেছেন, জামিন দেয়ার বিষয়টি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। অপরাধ জামিনযোগ্য হলে বিচারাধীন আসামির জামিন নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধ অজামিনযোগ্য হলে অসুস্থ ও জরাগ্রস্ত বন্দী, নারী ও শিশুর জামিন বিবেচনা করার সুযোগ আদালতের রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিচারাধীন বা দণ্ডিত আসামির জামিন মঞ্জুরের বিষয়টি পুরোপুরি ভিন্ন। একসাথে মেলানোর সুযোগ নেই।
আইনজীবীরা জানান, গত ১৪ জুলাই কুতুব উদ্দিন আহমেদকে ছয় মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এ জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে দুদক। পরে কুতুব উদ্দিন আহমেদকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বাতিল করেন আপিল বিভাগ। এই মামলায় চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি কুতুব উদ্দিন আহমেদকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। এরপর গত ১৬ মার্চ নিম্ন আদালতের সাজার বিরুদ্ধে কুতুবের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে হাইকোর্ট।
২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান থানায় কুতুব উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কুতুব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া আমমোক্তারনামার মাধ্যমে গুলশানে ১০ কাঠার একটি প্লট তার শ্বশুরসহ কয়েকজনের নামে বরাদ্দ করেছেন।

 


আরো সংবাদ


premium cement
মুন্সীগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে অভিযান, ১৩ জন গ্রেফতার এমবাপ্পের জোড়া গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স লবিস্টের কথায় বিএনপি ১০ ডিসেম্বর সমাবেশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সমাবেশের আগে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়ো হতে পারবে না : ডিবিপ্রধান বিএনপি নেতা ইশরাকের গাড়ি ভাঙচুর বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির ৪৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন গণসমাবেশ সফলে ঢাকা বারে আইনজীবীদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ মুন্সী মেহেরউল্লাহ ছিলেন ব্রিটিশ বাংলার শ্রেষ্ঠ ইসলাম প্রচারক গুজবে কান দেবেন না তিন ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারি অনুসন্ধানের নির্দেশ হাইকোর্টের ভারতকে হারিয়ে অবিশ্বাস্য জয় টাইগারদের

সকল