০৪ জুলাই ২০২২, ২০ আষাঢ় ১৪২৯, ৪ জিলহজ ১৪৪৩
`

মাধ্যমিকের জন্য ৭ হাজার শিক্ষকের সুপারিশ প্রস্তুত এনটিআরসিএ’র

-

মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলের জন্য সাত হাজারের বেশি শিক্ষকের সুপারিশ প্রস্তুত করছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ-এনটিআরসিএ। সূত্র মতে পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম না পাঠানো প্রার্থীদের প্রাথমিক সুপারিশ করা চার হাজারের বেশি শিক্ষক পদে আবেদন করা অন্য প্রার্থীদের দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ সুপারিশের অনুমতি চেয়েছে সংস্থাটি। আর যোগদান না করা তিন হাজার ৩০০ এর বেশি পদে প্রার্থীদের দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশের প্রস্তুতিও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি মিললে সব মিলে সাত হাজারের বেশি পদে প্রার্থীরা দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ পেতে পারেন। চলতি মে মাসের শেষে বা আগামী জুন মাসের শুরুতে এসব পদে প্রার্থীদের দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এনটিআরসিএর একটি সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে তিন হাজার ৩০০ এর বেশি পদে দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ভিআর ফরম না পাঠানো পদগুলোতে দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ করা হচ্ছে না। যদিও প্রার্থীরা ভিআর ফরম না পাঠানো পদগুলোতে দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ করার দাবি জানাচ্ছেন। এ বিষয়ে গতকাল রোববার সংস্থাটির চেয়ারম্যান এনামুল কাদের খান বলেন, ভিআর ফরম না পাঠানো প্রার্থীদের সুপারিশ করা পদগুলোতে আবেদন করা অন্যান্য প্রার্থীদের দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে এখনো সে অনুমতি মেলেনি। সে অনুমতি পেলে ভিআর ফরম না পাঠানো পদগুলোতেও দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ করা হবে। আমরা কাজ করছি। আর ভিআর ফরম পাঠিয়েও যোগদান না করা তিন হাজার ৩০০ পদে প্রার্থীদের দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশের পরিকল্পনা আছে।
এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি মাসের শেষে সুখবর পেতে পারেন প্রার্থীরা। এসব পদে নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশের প্রস্তুতি চলছে। অনেক নতুন শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হবে। বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির ও দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ সুপারিশ একইসাথে ঘোষণা হতে পারে। তারা আশা করছেন আগামী ২৭ মে শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে এ ফল ঘোষণা করবেন। চলতি মাসের শেষে সম্ভব না হলে আগামী জুন মাসের শুরুতে প্রার্থীরা নিয়োগ সুপারিশ পাবেন।
অবশ্য প্রচলিত নিয়মে কোনো শিক্ষক পদে সুপারিশ পাওয়া প্রার্থী যোগদান না করলে সেই পদে আবেদন করা মেধাতালিকার ভিত্তিতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা প্রার্থীদের সুপারিশ করা হয়। এর আগে ২০১৯ সালে দ্বিতীয় নিয়োগচক্রে সুপারিশ পেয়েও যোগদান না করা পদে অন্য প্রার্থীদের দ্বিতীয় ধাপে সুপারিশ করা হয়েছিল। সে প্রেক্ষিতে তৃতীয় নিয়োগচক্রে যোগদান না করা পদগুলোতে প্রার্থীদের দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ১৭ এপ্রিল শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ বিষয়ে নেয়া সিদ্ধান্ত অনুসারে এনটিআরসিএর নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচনা করে প্রার্থীদের দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেলে প্রাথমিক সুপারিশ পেয়ে ভিআর ফরম না পাঠানো চার হাজারের বেশি পদে এবং চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়ে যোগদান না করা তিন হাজার তিন শ’ পদে প্রার্থীদের দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ সুপারিশ করা হবে।


আরো সংবাদ


premium cement