২০ জুন ২০২১
`

কারাগারে মামুনুল ও রফিকুল

-

হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা মামুনুল হককে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে শিশু বক্তা হিসেবে খ্যাত মাওলানা রফিকুল ইসলামকেও রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল সোমবার পুলিশ তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আাবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, পল্টন থানায় দায়েরকৃত মামলায় রিমান্ড শেষে গতকাল সোমবার মামুনুল হককে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসি তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে ১৮ এপ্রিল দুপুরের দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে মামুনুল হককে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ। গত ১৯ এপ্রিল ভাঙচুরের মামলায় তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর ২৬ এপ্রিল ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরের ঘটনায় পল্টন থানায় দায়েরকৃত মামলায় চার দিন এবং মোদি বিরোধী সহিংসতার ঘটনায় মতিঝিল থানার মামলায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ৪ মে তৃতীয় দফায় পল্টন থানার পৃথক দুই মামলায় তার আরো পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
অপর দিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে রাজধানীতে বাংলাদেশ ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের মিছিল থেকে পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় শিশুবক্তা হিসেবে খ্যাত রফিকুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
গতকাল সোমবার মতিঝিল থানায় দায়েরকৃত মামলায় রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসি তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে ৬ মে মতিঝিল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় এ মামলায় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করলে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আদালতকে অবহিত করে পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় মতিঝিল থানায় দায়ের করা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে রিমান্ডে নিয়ে যায় ডিবি।
গত ৮ এপ্রিল নেত্রকোনার নিজ বাড়ি থেকে আটকের পর গাছা থানায় রফিকুলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে র্যাব। এরপর গাজীপুর ও ময়মনসিংহ থানার মামলায় তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়। এরপর রাজধানী ঢাকায় দায়ের করা মতিঝিল থানার দুই মামলায় তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

 



আরো সংবাদ