১২ এপ্রিল ২০২১
`
সারের জন্য এখন কৃষককে কষ্ট করতে হয় না : কৃষিমন্ত্রী

রাসায়নিক সারের চাহিদা ৬৬ লাখ মেট্রিক টন নির্ধারণ

-

দেশে চাষাবাদের জন্য ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য রাসায়নিক সারের চাহিদা মোট ৬৬ লাখ টন নির্ধারণ করেছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে অনলাইনে সারবিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটির সভায় ২০২১-২২ অর্থবছরে রাসায়নিক সারের চাহিদা নির্ধারণ করা হয়। কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় নিবিড় ও সম্প্রসারিত চাষাবাদের প্রয়োজনে ২০২১-২২ অর্থবছরে যে ৫৭ লাখ টন রাসায়নিক সারের চাহিদা নির্ধারণ করা হয়, এর মধ্যে ইউরিয়া ২৬ লাখ টন, টিএসপি ৭ লাখ টন, ডিএপি ১৬ লাখ ৫০ হাজার টন ও এমওপি সাত লাখ ৫০ হাজার টন। এর বাইরে জিপসাম, জিঙ্কসালফেট, ম্যাগনেসিয়ামসহ অন্যান্য সার রয়েছে।
গত অর্থবছরে সারের চাহিদা ছিল ইউরিয়া ২৫ লাখ ৫০ হাজার টন, টিএসপি ৫ লাখ, ডিএপি ১৫ লাখ টন ও এমওপি ৭ লাখ ৫০ হাজার টন। এর বাইরে অন্যান্য সারও রয়েছে।
সভায় কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আবদুল রাজ্জাক এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকবান্ধব ও কৃষক দরদি। তার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশে সার ব্যবস্থাপনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। সরকার একদিকে যেমন সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করছে, অন্যদিকে তেমনি চার দফায় সারের দামও অনেক কমিয়ে কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে। ফলে কৃষি উৎপাদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ এই সারের জন্য কৃষককে এখন কোনোরকম কষ্ট করতে হয় না। অথচ এই সার ব্যবস্থাপনায় বিএনপি ১৯৯১-৯৬ ও ২০০১-০৬ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকাকালে দুবারই চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছিল। তখন সারের জন্য কৃষককে দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছিল, সারের দাবিতে কৃষককে আন্দোলন করতে হয়েছিল, প্রাণ দিতে হয়েছিল।
ভার্চুয়াল এ সভায় শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এমপি, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এমপি, কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী এমপি, সংসদ সদস্য মো: আব্দুল হাই, সংসদ সদস্য মো: জোযাহেরুল ইসলাম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম ও অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ) মো: মাহবুবুল ইসলামসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 



আরো সংবাদ