০৮ আগস্ট ২০২০

থানা হেফাজতে আসামির মৃত্যু বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট

-
24tkt

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় পুলিশ হেফাজতে আফসার আলীর (৩৫) নামে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। একই সাথে আফসার আলীর মৃত্যুর ঘটনায় কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিহতের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণও চাওয়া হয়েছে।
রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) সংশ্লিষ্টদের বিবাদি করা হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইয়াদিয়া জামান ও শাহীনুজ্জামান শাহীন গতকাল রোববার এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন। তারা গণমাধ্যমকে জানান, বিচারপতি জেবিএম হাসানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চে চলতি সপ্তাহে আবেদনটির শুনানি হতে পারে।
আফসার আলীর মৃত্যুর ঘটনায় দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে বেশ কিছু সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় রিমান্ডে আসামির মৃত্যু নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারাই ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। থানা হেফাজতে পৌর এলাকার টিকরামপুর মধ্যপাড়ার মহসীন আলীর ছেলে আফসার আলীর (৩৫) মৃত্যুর পর ওসি এটাকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে দাবি করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, বাথরুমে ঢুকে সে গলার তার পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে ডাক্তার বলেন, হাসপাতালে আসার কিছুক্ষণ পর বুকেরব্যথায় মারা গেছেন আফসার।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, নিহতের স্ত্রী জুলেখা বেগম বলছেন, আফসারকে খুন করা হয়েছে। মর্গে গিয়ে আত্মহত্যার কোনো চিহ্ন লাশের গলায় দেখা যায়নি। যার ভিডিও ফুটেজ হাতে রয়েছে (একটি দৈনিক পত্রিকার)। আফসারের মৃত্যু নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেয়ায় এ নিয়ে রহস্য আরো ঘনীভূত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয় গত ৫ জুলাই সদর উপজেলার সুন্দরপুর বাগডাঙ্গা শুকনাপাড়া এলাকা থেকে এক কেজি ১৯৫ গ্রাম হেরোইনসহ আফসার আলীকে আটক করে র্যাব। সদর থানায় মামলার পর গত ৬ জুলাই এক দিনের রিমান্ডে এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। ওই দিন রাত ১২টার দিকে আফসারের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। রাত ১টায় রাজারামপুরে আফসার আলীর ভাড়া বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শোকের মাতম।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, আফসারের স্ত্রীর অভিযোগ, অভাব-অনটনের সুযোগে সোর্স ওয়াসিম আর মোহন তার স্বামীকে কৌশলে মাদক দিয়ে ধরিয়ে দিয়েছে। পরে সে র্যাবের হাতে ধরা পড়ে। গত ৬ জুলাই থানায় দেখা করতে গেলে সন্তানদের সামনেই হাতকড়া পরা অবস্থায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে মারধর করছিলেন। তিনি দাবি করেন, পুলিশই আমার স্বামীকে হত্যা করেছে। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মঈদুল ইসলাম জানান, নিহত আফসার আলী কর্মঠ আর নিরীহ প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। রিকশা-ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন।

 


আরো সংবাদ

প্রদীপের অপকর্ম জেনে যাওয়ায় জীবন দিতে হয়েছে সিনহাকে? (২৬৬১১)পাকিস্তানের বোলিং তোপে লন্ডভন্ড ইংল্যান্ড (৬৫০৩)এসএসসির স্কোরের ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি হবে শিক্ষার্থীরা (৪৫২৮)কানাডায়ও ঘাতক বাহিনী পাঠিয়েছিলেন মোহাম্মাদ বিন সালমান! (৪৪৮৪)বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিথানল উৎপাদন কারখানা উদ্বোধন করল ইরান (৪০৯৯)অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণ নিয়ে কড়া বিবৃতি পাকিস্তানের, যা বলছে ভারত (৪০৪৫)মেজর সিনহা হত্যা : ওসি প্রদীপ, ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীসহ ৭ পুলিশ বরখাস্ত (৩৬৫২)কক্সবাজারে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টহল চলবে : আইএসপিআর (৩৩৩২)যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন ২০২০ : কে এগিয়ে- ট্রাম্প না বাইডেন? (৩১০৫)প্রদীপসহ ৩ পুলিশ সদস্যের ৭ দিনের রিমান্ড (৩০৮৮)