০১ জুন ২০২০

রাজধানীতে জীবাণুনাশক ছিটাল জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন

-

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সমস্যা থেকে বাংলাদেশের মানুষ যাতে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে সে জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরামর্শে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে জেডআরএফের কৃষিবিদ গ্রুপ ঢাকা মহানগরীর কয়েকটি বস্তি করোনার সংক্রমণ রোধে ও ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে জীবাণুনাশক ওষুধ স্প্রে করছে। গতকাল বুধবার মহাখালীর ৭ তলা বস্তিতে জীবাণুনাশক ওষুধ স্প্রে করার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম শুরু করা হয়। এই কার্যক্রম পরিচালনার সার্বিক দায়িত্বে রয়েছেন কৃষিবিদ অধ্যাপক ড. আবদুল করিম ও কৃষিবিদ শফিউল আলম দিদার। গতকাল মহাখালী ৭ তলা বস্তিতে জীবাণুনাশক স্প্রে করার সময় উপস্থিত ছিলেনÑ কৃষিবিদ সানোয়ার আলম, ২০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি মো: হারুন অর রশিদ, বিএনপি নেতা জসীম উদ্দিন প্রমুখ। এ সময় স্থানীয় বিএনপির নেতারা তাদেরকে সহযোগিতা করেন।
কৃষিবিদ অধ্যাপক ড. আবদুল করিম বলেন, মহাখালীর সাততলা বস্তিতে দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জেডআরএফের কৃষিবিদ গ্রুপ ব্লিচিং পাউডার ও অন্যান্য জীবাণুনাশক ওষুধ পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে করেন। তিনি বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং ডেঙ্গুর সম্ভাব্য ভয়াবহ প্রকোপ থেকে বস্তিবাসীকে সচেতন ও রক্ষার্থে জীবাণুনাশক ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে। গতকাল বুধবার প্রথম দিনে চারটি বড় স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে মহাখালীর ৭ তলা বস্তির বিভিন্ন ভবন, রাস্তা ও কার্যালয়ে স্প্রে করার মাধ্যমে এই কার্যক্রমের শুরু হলো। পর্যায়ক্রমে রাজধানীর অন্যান্য মোট ১০টি বস্তিতেও জীবাণুনাশক ওষুধ স্প্রে করা হবে। এ সময় স্থানীয় বস্তিবাসী স্প্রেম্যানদেরকে সানন্দে তাদের ঘরে নিয়ে যান এবং প্রয়োজনীয় স্থানে জীবাণুনাশক ওষুধ স্প্রে করিয়ে নেন বলে জানান তিনি।
সার্বিক বিষয়ে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা: ফরহাদ হালিম ডোনার জানান, করোনার কারণে অসহায় গরিব মানুষকে সাহায্য করার জন্য জেডআরএফ ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। জেডআরএফের ২৭টি টিম বিভিন্ন নির্দিষ্ট বিষয়ে সেবাপ্রদানের লক্ষ্যে কাজ করছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের ক্রান্তিলগ্নে যেভাবে সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন সেভাবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনও বর্তমানে দেশের ক্রান্তিলগ্নে পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। ইতোমধ্যে করোনা সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো পরামর্শ ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবার জন্য চালু করা হয়েছে ২৫টি মোবাইল হটলাইন নাম্বার। যেখানে দেশ বিদেশের অনেক মানুষ ফোন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়েছেন। তাছাড়া দেশের প্রায় সব বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ব্যাক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বা পিপিই সরবরাহ করার পরিকল্পনা জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের রয়েছে বলে তিনি জানান।

 


আরো সংবাদ





justin tv maltepe evden eve nakliyat knight online indir hatay web tasarım ko cuce Friv buy Instagram likes www.catunited.com buy Instagram likes cheap Adiyaman tutunu