০৩ জুন ২০২০
সীমিত পরিসরে চলছে ফেরি

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী-মাওয়া ঘাটে এখনো যানবাহন ও যাত্রীদের ভিড়

মাওয়া ঘাটে যাত্রীদের ভিড় : নয়া দিগন্ত -

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এর সংক্রমণ ঠেকাতে গত মঙ্গলবার দুপুর থেকে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ-রুটে লঞ্চ ও সি-বোট চলাচল বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লউিটিএ কর্তৃপক্ষ। এরপর গত বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ঘাটের চিরচেনা দৃশ্যই পাল্টে যায়।
কিন্তু জরুরি পরিষেবার জন্য বিআইডব্লিউটিসি এ নৌ-রুটে সীমিত পরিসরে ফেরী পরিচালনা করায় শিমুলিয়া ঘাটে ছোট গাড়ি ও যাত্রীদের চাপ বেড়েই চলছে। আর এ সুযোগে ফেরি ঘাটে যাত্রীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ২৫ টাকার ভাড়া ৩০ টাকা করে আদায় করছে ফেরি ঘাটের টিকিটিং এজেন্ট মেসার্স সামিউল এন্টারপ্রাইজের মালিক নেসার উদ্দিন ওরফে নাসিরে লোকজন। তারা টিকিট শেষ হওয়ার অজুহাতে এ রুটের বিভিন্ন লঞ্চের ৩০ টাকা লেখা টিকিট ধরিয়ে দিচ্ছেন ফেরিতে পারাপার হওয়া যাত্রীদের হাতে।
এ ব্যাপা্ের মেসার্স সামিউল এন্টারপ্রাইজের মালিক নেসার উদ্দিন ওরফে নাসিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে না। আর আমাদের টিকিট শেষ হয়ে গেছে। করোনার কারণে নতুন টিকিট ছাপাতে পারছি না। তাই লঞ্চের টিকিট দেয়া হচ্ছে।
এদিকে শিমুলিয়া ঘাটে দেখা যায়, ঢাকা থেকে প্রাইভেটকার, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলে বিপুল সংখ্যক যাত্রীরা ঘাটে আসছেন প্রতিনিয়ত। এসব যাত্রী লঞ্চ, সি-বোট ও ট্রলার না পেয়ে ফেরিতে গাদাগাদি করে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঘাটে দায়িত্বরত কয়েকজন বলেন, যেখানে এ ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে, সেখানে ফেরি ঘাটে যাত্রীরা অবাধেই চলাচল করছেন। আর ভাড়া নিয়ে মাঝেমধ্যে যাত্রীদের গায়ে হাত দেয়ার ঘটনাও ঘটছে।
এ ব্যাপারে মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনর্চাজ পুলিশ পরিদর্শক মো: সিরাজুল কবির বলেন, নৌ-পুলিশ সদস্যদের বলা হয়েছে কেউ যেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করতে পারে। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক সাফায়েত আহম্মেদের কাছে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জেলা প্রশাসক মো: মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলে দিচ্ছি।


আরো সংবাদ

সকল