০৪ এপ্রিল ২০২০

দুই শর্তে শেয়ারবাজারে আসতে রাজি রবি

-

দুই শর্তে শেয়ারবাজারে আসতে রাজি দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ টেলিকম অপারেটর রবি। শর্ত দু’টি হচ্ছেÑ মোবাইল কোম্পানির টার্নওভারের ওপর বিদ্যমান কর প্রত্যাহার অথবা ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ। দ্বিতীয় শর্ত হচ্ছেÑ তালিকাভুক্ত মোবাইল কোম্পানির করপোরেট কর হার ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩৫ শতাংশ নির্ধারণ। আর শর্ত দু’টি মেনে নেয়া হলে চলতি বছরের যেকোনো সময় শেয়ারবাজারে আসবে এ প্রতিষ্ঠানটি।
গতকাল শনিবার বিকেলে গুলশান-১এ রবির করপোরেট অফিসে সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক পরিস্থিতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রবির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান। এতে কোম্পানির বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমেদ। এ ছাড়াও রবির মার্কেটিং পলিসি নিয়ে কথা বলেন চিফ এন্টারপ্রাইজ বিজনেস অফিসার আদিল হোসেন নোবেল।
২০১৯ সালে রবি দুই অঙ্কের রাজস্ব প্রবৃদ্ধি করেছে জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সিইও বলেন, ‘গত বছর দেশের শীর্ষ ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী কোম্পানি রবির কর-পরবর্তী মুনাফার পরিমাণ ১৭ কোটি টাকা। ২০১৮ সালজুড়ে তথ্য খাতে রাজস্ব বৃদ্ধির হার ছিল অভাবনীয় ২৮ শতাংশ। সেই অগ্রগতি কাজে লাগিয়ে ২০১৯ সালে রবির মোট রাজস্বের পরিমাণ ছিল সাত হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া করপোরেট করের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৫ শতাংশ, ২০১৯ সালে রবির টোটাল করের পরিমাণ ছিল ৯০ শতাংশ। ন্যূনতম করহার দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২ শতাংশ, সিমকরের পরিমাণ দ্বিগুণ করে ২০০ টাকা, স্মার্টফোনের ওপর সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ, মোবাইল সেবার সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করায় কোম্পানির আর্থিক পরিস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।’
মাহতাব উদ্দিন আরো বলেন, ‘ডেটার জন্য কোনো ন্যূনতম মূল্য না থাকায় চাপের মুখে পড়েছে কোম্পানি। ডেটা ব্যবহারের মাত্রা লক্ষণীয় পরিমাণে বৃদ্ধি পেলেও ডেটার জন্য ন্যূনতম মূল্য না থাকায় এই শিল্পে আত্মঘাতী প্রতিযোগিতা চলছে। ফলে ক্রমবর্ধমান ওটিটি (ওভার দি টপ) সেবার কারণে যে লোকসান হচ্ছে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছে না। তবে সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হচ্ছে, পর্বতসম করের বোঝা সত্ত্বেও ২০১৯ সালে রবি মুনাফা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৯ সালে ২১ লাখ নতুন গ্রাহকসহ রবির মোট গ্রাহক সংখ্যা চার কোটি ৯০ লাখ, যা দেশের মোট মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর ২৯ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১৮ সালের তুলনায় গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধির হার ৪ দশমিক ৫ শতাংশ।’
তিনি আরো বলেন, ‘১৯৯৭ সালের যাত্রা শুরুর পর থেকে রবি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ২৬ হাজার ৬২১ কোটি টাকা জমা দিয়েছে। অপর দিকে এশিয়া জুড়ে আজিয়াটা অপারেটিং কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২০১৯ সালে এনালিটিকস আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ম্যাচিউরিটির ক্ষেত্রে সেবা অবস্থানে রয়েছে রবি।’
রবির প্রধান আরো বলেন, ‘দেশের প্রতি সাতজন মোবাইল অপারেটর বদলানোর মধ্যে পাঁচজনই রবির সেবা নিচ্ছেন। এ ছাড়া ব্যবসার প্রতিটি ক্ষেত্রে উদ্ভাবনের ওপর আলাদাভাবে কাজ করায় আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা পরামর্শক সংস্থা অলিভার ওয়াইমেনের মতে বৈশ্বিক মানের টেলিকম কোম্পানির মর্যাদা পেয়েছে মালয়েশিয়া ভিত্তিক টেলিকম কোম্পানি রবি।’

 


আরো সংবাদ

আত্মহত্যার আগে মায়ের কাছে স্কুলছাত্রীর আবেগঘন চিঠি (১৩৫৩০)সিসিকের খাদ্য ফান্ডে খালেদা জিয়ার অনুদান (১২৬০৬)করোনা নিয়ে উদ্বিগ্ন খালেদা জিয়া, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল (৯৩১৫)ভারতে তাবলিগিদের 'মানবতার শত্রু ' অভিহিত করে জাতীয় নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ (৮৪৯০)করোনায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল ইতালির একটি পরিবার (৭৮৬৪)করোনার মধ্যেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আরেক যুদ্ধ (৭১৪০)করোনায় আটকে গেছে সাড়ে চার লাখ শিক্ষকের বেতন (৬৯৩১)ইসরাইলে গোঁড়া ইহুদির শহরে সবচেয়ে বেশি করোনার সংক্রমণ (৬৮৯০)ঢাকায় টিভি সাংবাদিক আক্রান্ত, একই চ্যানেলের ৪৭ জন কোয়ারান্টাইনে (৬৭৬১)করোনাভাইরাস ভয় : ইতালিতে প্রেমিকাকে হত্যা করল প্রেমিক (৬২৯৬)