২৮ মার্চ ২০২০

এনামুল বাছিরের পদোন্নতির আবেদন হাইকোর্টে খারিজ

-

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ওঠার পর সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের পদোন্নতি প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি মো: আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ বিষয়ে রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো: খুরশীদ আলম খান। খন্দকার এনামুল বাছিরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
মহাপরিচালক পদে পদোন্নতি পেতে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে রিটের পর গত ২ জানুয়ারি কেন তাকে পদোন্নতি দেয়া হবে না, এ মর্মে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। পরে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন যে, দুদকের আটটি মহাপরিচালক পদের মধ্যে একটি তার জন্য খালি রাখতে। এর মধ্যে গত ১১ জুলাই খন্দকার এনামুল বাছিরের জন্য মহাপরিচালক পদ খালি রাখতে আগের দেয়া আদেশ তুলে নেন হাইকোর্ট।
রায়ের পরে খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে একটি ফৌজদারি মামলা চার্জশিট হয়েছে। এমনকি তাকে বরখাস্তও করা হয়েছে। তাই এখন তার প্রমোশনের প্রশ্নই আসে না। আদালত গতকাল বুধবার রুলটি খারিজ করে দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ জুলাই পুলিশের সাবেক ডিআইজি মিজানুর রহমান ও এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলার এজাহারে বলা হয়, খন্দকার এনামুল বাছির কমিশনের দায়িত্ব পালনকালে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশায় ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। ডিআইজি মিজানুর রহমানকে অবৈধ সুযোগ দেয়ার উদ্দেশ্যে ঘুষ হিসেবে নিয়েছেন তার অবৈধভাবে অর্জিত ৪০ লাখ টাকা। গোপন করেছেন ঘুষের ওই টাকার অবস্থান। এর মাধ্যমে তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ করেছেন।


আরো সংবাদ