০৫ আগস্ট ২০২০

চট্টগ্রাম মেডিক্যালে বাড়ছে করোনারি ইউনিটের ১৫টি শয্যা

-
24tkt

বৃহত্তর চট্টগ্রামবাসীর চিকিৎসাসেবার শেষ আশ্রয়স্থল চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে হৃদরোগীদের সেবাপ্রাপ্তি ও মান বাড়ানোর লক্ষ্যে করোনারি ইউনিটে (সিসিইউ) ১৫টি শয্যা বাড়ানো হচ্ছে। হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে সাড়ে ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন ১৫টি শয্যা দেয়া হচ্ছে।
চমেক হাসপাতাল রোগী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সমাজসেবা কর্মকর্তা অভিজিৎ সাহা বলেন, ‘হৃদরোগ বিভাগের সিসিইউতে ১৫টি শয্যা দেয়া হবে। প্রতি শয্যা বাবদ আনুমানিক এক লাখ ৭০ হাজার টাকা খরচ হবে। পাশাপাশি সিসিইউর এয়ার কন্ডিশনারগুলো মেরামত করে দেয়া হবে। শয্যা বাড়লে বেশি রোগীর সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সিসিইউতে এসব শয্যা স্থাপনের জন্য ওয়ার্ডের যাবতীয় প্রস্তুতির কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা: আখতারুল ইসলাম জানান, জুন মাসের মধ্যেই ওয়ার্ডের করোনারি ইউনিটের শয্যা বাড়িয়ে উদ্বোধন করা হবে। ইতোমধ্যে মনিটর, এসি মেরামতসহ সব ধরনের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, মাত্র ২৫ টাকার টিকিটের বিনিময়ে হাসপাতালটিতে সেবা মেলে। তবে রোগীর তুলনায় সুবিধা সীমিত। এজন্য চাহিদামতো সেবা পান রোগীরা। প্রতিদিন এ হাসপাতালে জরুরি সেবা নিতে ৬০০-৯০০ রোগী ভর্তি হন। নিয়মিত হাসপাতালে ভর্তি থাকেন দুই থেকে আড়াই হাজার রোগী। এ ছাড়া বহির্বিভাগে আড়াই থেকে তিন হাজার রোগী সেবা নেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চমেক হাসপাতালে এক হাজার ৫০০ শয্যার মধ্যে সিসিইউ সংখ্যা মাত্র ১৫টি। হৃদরোগ বিভাগে ১৯৮৯ সালে সিসিইউ চালু হয়। সিসিইউতে গড়ে ৪০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। প্রতিদিন গড়ে ২৬০ জনের বেশি রোগী সেবা নিয়ে থাকেন। রোগীদের সেবাপ্রাপ্তি ও বেশি রোগীর চাপ কমিয়ে আনতে নতুন করে শয্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয় রোগী কল্যাণ সমিতি। এতে আগের ১৫টির সাথে নতুন করে আরো ১৫টি শয্যা সংযোজন করা হচ্ছে।
সম্প্রতি চমেক হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, হৃদরোগ বিভাগের বারান্দায় পর্যন্ত রোগীরা শয্যা পেতেছেন। সেখানে রোগীর জন্য পা ফেলা কষ্টকর। সিসিইউতে গিয়ে দেখা যায়, মেঝেতেও রোগী রাখা হয়েছে। সাধারণ শয্যার অবস্থা আরো করুণ।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীকে সিসিইউতে ভর্তি করাতে হয়। আক্রান্ত হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে এ সেবা দেয়া গেলে রোগীর অবস্থা ভালো রাখা যায়। নয়তো দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে।
হৃদরোগ বিভাগের প্রধান প্রবীর কুমার দাশ বলেন, শয্যার তুলনায় তিন গুণ বেশি রোগীর চাপ থাকে। হৃদরোগে আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগী সিসিইউতে দিতে হয়। কিন্তু আমাদের শয্যা সীমিত। চাহিদার তুলনায় সিসিইউতে শয্যা কম। এজন্য অনেক রোগী সেবা থেকে বঞ্চিত হন। অন্তত শয্যা থাকলে রোগীরা সুবিধা পাবেন। ফলে জটিল অবস্থায় থাকা রোগীদের আমরা সিসিইউতে শয্যা দিতে পারব।


আরো সংবাদ

হিজবুল্লাহর জালে আটকা পড়েছে ইসরাইল! (৩৬১৭৯)আবারো তাইওয়ান দখলের ঘোষণা দিল চীন (১৪৮৮১)মরুভূমির ‘এয়ারলাইনের গোরস্তানে’ ফেলা হচ্ছে বহু বিমান (১২২৫৯)হামলায় মার্কিন রণতরীর ডামি ধ্বংস না হওয়ার কারণ জানালো ইরান (৮৩১৯)সিনহা নিহতের ঘটনায় পুলিশ ও ডিজিএফআই’র পরস্পরবিরোধী ভাষ্য (৭২৫৯)সহকর্মীর এলোপাথাড়ি গুলিতে ২ বিএসএফ সেনা নিহত, সীমান্তে উত্তেজনা (৬৯০২)চীনের বিরুদ্ধে গোর্খা সৈন্যদের ব্যবহার করছে ভারত : এখন কী করবে নেপাল? (৫০৩৬)বিবাহিত জীবনের বেশিরভাগ সময় জেলে এবং পালিয়ে থাকতে হয়েছে বাবুকে : ফখরুল (৪৭১১)করোনায় আক্রান্ত এমপিকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়েছে (৪৪৩৩)তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে : আবহাওয়া অধিদপ্তর (৪৩৫৩)