১৬ অক্টোবর ২০২১, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি
`
প্রতিটি নদীর অবস্থা ভয়াবহ

দখল ও দূষণের মহোৎসব চলছে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় : নদী রক্ষা কমিশন

-

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেছেন, আজ আমাদের দেশের প্রতিটি নদীর অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ। যেখানে সেখানে চলছে দখল ও দূষণের মহোৎসব।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ও বুড়িগঙ্গা রিভারকিপার এর যৌথ উদ্যোগে গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘ঢাকার চার পাশের নদীদূষণ’ বিষয়ক এক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আপনারা জানেন যে নদী নিয়ে একটি কমিশন আছে। সব দায়-দায়িত্ব নদী কমিশনের। কিন্তু আইনে কারো বিরুদ্ধে বল প্রয়োগের ক্ষমতা আমাদের নেই। এই বল প্রয়োগের ক্ষমতা নদী কমিশনের হাতে দেয়ার জন্য সামাজিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি জনগণকে সোচ্চার করতে হবে।
বাপার সাধারণ সম্পাদক, ডা: মো: আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে সভায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন : সোহাগ মহাজন, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা ইয়ুথ ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল (বুড়িগঙ্গা), মো: জাহিদুর ইসলাম ভূঁইয়া, চেয়ারম্যান, ধল্লা ইউনিয়ন পরিষদ, সিংগাইর, মানিকগঞ্জ (ধলেশ^রী), শামসুল হক, সাধারণ সম্পাদক, নদী ও পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদ, সাভার (বংশী) ও সুরুজ মিয়া, সভাপতি, বারোগ্রাম উন্নয়ন সংস্থা, ত্রিমোহনী (বালু)। এ ছাড়া নদী রক্ষায় করণীয় নিয়ে বক্তব্য রাখেনÑ জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো: আলাউদ্দিন, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সদস্য শারমীন মুরশিদ এবং বুড়িগঙ্গা রিভারকিপার ও সমন্বয়ক শরীফ জামিল।
সভাপতির বক্তব্যে ডা: মো: আবদুল মতিন বলেন, ঢাকায় নদীতে দূষণের জন্য দায়ী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নদী কমিশনের হাতকে শক্তিশালী করতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
মো: আলাউদ্দিন বলেন, কমিশন নদী রক্ষায় জনগণের বন্ধু হতে চায় শত্রু নয়। শারমীন মুরশিদ বলেন, কোনোভাবেই নতুন করে নদী দূষণ হতে দেয়া যাবে না এবং পুরনো নদীগুলোকে উদ্ধার করতে হবে। শরীফ জামিল বলেন, বিশে^র সবচেয়ে বড় সক্রিয় বদ্বীপ এ বাংলাদেশ। বিশে^র যত নগরায়ণ হয়েছে তার সবই নদী কেন্দ্রিক। দেশের সব নদী আজ দখল ও দূষণের এক কবলে আবদ্ধ। এ থেকে এখনি বের হতে না পারলে দেশ ও সমাজ পঙ্গুত্ববরণ করবে।

 



আরো সংবাদ