২২ মে ২০২২
`

মৃত্যুর পর আলোচনা, বাড়ছে শিমুর নাটকের ভিউ

মৃত্যুর পর আলোচনা, বাড়ছে শিমুর নাটকের ভিউ - ছবি : সংগৃহীত

জীবিত অবস্থায় নয়, বস্তাবন্দি লাশ পাওয়ার পর টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু। ১৯৯৮ সালে কাজী হায়াতের ‘বর্তমান’ সিনেমা দিয়ে অভিষেক হলেও তার শোবিজ ক্যারিয়ার খুব বেশি রঙিন ছিল না। অনেকটা অভিমান থেকেই বড় পর্দা ছেড়ে যুক্ত হয়েছিলেন ছোট পর্দায়। গত ১৭ জানুয়ারি তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ হলে পূর্বে দেয়া একটি ভিডিও সাক্ষাতকার ভাইরাল হয়। যেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, সিনেমায় অস্থির একটি পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিলো তাই ২০০৪ সালে সিনেমা বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই। ওই বছরই বিয়ে করি।’

ওই ভিডিওর ভাষ্য অনুযায়ী এই অভিনেত্রীর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সিনেমা ছেড়ে দেয়ার পর নাটকে মনোযোগী হয়ে ছিলেন শিমু। তবে এই জায়গায় তার ক্যারিয়ার ছিলো সিনেমার তুলনায় অনেকটা উজ্জ্বল। নাটকে তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও প্রযোজনায় যুক্ত ছিলেন। জাহিদ হাসান, মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, আনিসুর রহমান মিলনের বিপরীতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিমু। তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ঝুমুর ঝুমুর প্রেম, মনঘুড়ি, জৈনক জাহিদ হাসান, সিনেমার নায়িকা যখন গ্রামে ঘুরতে আসে, ধান্দা।

নাটকগুলোর ইউটিউভ ভিউ খুব বেশি ছিলো না। তবে গণমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর প্রচার হওয়ার পর বাড়তে থাকে ভিউএর সংখ্যা। আরটিভিটিত প্রচারিত ‘ঝুমুর ঝুমুর প্রেম’ নাটকটির ভিউ হঠাৎ বেড়েছে লাখ থেকে ৪ লাখে। অন্য নাটকগুলোর ভিউ সংখ্যাও বেড়েছে লাফিয়ে লফিয়ে।

চলচ্চিত্র নিয়ে শিমুর অনেক আক্ষেপ ছিল। তার ধারণা ছিলো প্রথম দিকে প্রধান চরিত্র পেলে বড় নায়িকা হিসাবে খ্যাতি পেতে পারতেন। এ প্রসঙ্গে তিনি কথা বলেছিলেন তার সর্বশেষ প্রচারিত সাক্ষাতকারে। যেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার চলচ্চিত্রে আসাটা একটি রং ওয়ে ছিলো। আমার মনে হয়েছে। আমি তখন ছোট ছিলাম বুঝতে পারিনি। ভুলটা হলো, চলচ্চিত্রে যদি মেই হিরোইন না হয়; আমি দেখেছি সেকেন্ড, থার্ড হিরোইনের কোনোই ভ্যালো নেই। সে যত সুন্দরই হোক, যত ভালো পারফর্মমেন্সই হোক তার কোনো ভ্যালো থাকে না। যখন সিনেমাটা মুক্তি দেয়া হয়, তখন প্রধান দুটি চরিত্রের কথাই সবাই বলে। আমি কিন্তু তখন প্রধান চরিত্রে অভিনয় করতে পারতাম। ছোট ছিলাম তাই বুঝতে পারিনি।’ আক্ষেপ করে বলেছিলেন, আমি কিন্তু মার্শাল আর্ট শেখা ব্ল্যাক বেল পাওয়া একজন মেয়ে। রুবেল সাহেব, মনতাজুর রহমান আকবর সাহেব আমাকে নিতে চেয়ে ছিলো প্রধান চরিত্রে। কিন্তু ইনফরমেশন প্রপারর্লি আমার কাছে পৌঁছায়নি। সেই অভিমান থেকে আমি আর সিনেমায় থাকিনি। এরপর আমি নাটক শুরু করলাম। নাটকের যত বড় অভিনেতা আছে, জাহিদ হাসান, মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, আনিসুর রহমান মিলন, ওনাদের বিপরীতে আমি হিরোইন হিসাবে কাজ করেছি। তখন আমার মনো হলো মেইন হিরোই একটা ফ্যাক্ট।


আরো সংবাদ


premium cement