১৭ এপ্রিল ২০২১
`

সোনাগাজী পৌর নির্বাচনে লড়বেন তরুণ নেতা খুরশিদ আলম

ছাত্র নেতা খুরশিদ আলম। - ছবি : নয়া দিগন্ত

আসন্ন সোনাগাজী পৌর নির্বাচনে মেয়রপদে প্রার্থী হয়েছেন তরুণ নেতা খুরশিদ আলম। বিএনপি থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক খুরশিদ আলম। এ তরুণ নেতার সম্ভাব্য প্রার্থিতা ঘোষণায় নতুন ভোটারদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত সোনাগাজী পৌরসভাতে বিএনপির অবস্থান সুসংগঠিত করতে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দাবির মুখে এ নেতা প্রার্থী হয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনতে চান। তিনি ২০১১ সাল থেকে সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সোনাগাজীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি মানে যুবদলের কর্মসূচি। দলের প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তাবায়ন করে যুবদল নেতা খুরশিদ আলম তৃণমূলের সকল জাতীয়তাবাদী নেতা ও কর্মীর কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এ অবস্থায় সোনাগাজী পৌরসভায় বিএনপির নেতা ও কর্মীরা মনে করছেন যুবদল নেতা খুরশিদকে দল থেকে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করলে বিজয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব।

এ দিকে আওয়ামী লীগ থেকে সম্ভাব্য অপর মেয়রপ্রার্থী নুর নবী লিটন দীর্ঘ দিন ছাত্র রাজনীতি করেছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেছেন। তিনি পরপর তিনবারের ওয়ার্ড কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। জেলা আওয়ামী লীগ থেকে যাচাই-বাচাই শেষে কেন্দ্রে তার নাম পাঠানো হয়েছে।

এ দুই তরুণ মুখ মেয়র হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থিতা ঘোষণা করায় সাধারণ মানুষের আড্ডায় বেশ আলোচনা হচ্ছে এ বিষয়টি। দুই তরুণ সম্ভাব্য প্রার্থিতা ঘোষণা করায় উভয় দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া মিলছে।

সোনাগাজী নির্বাচন কর্মকর্তা মাইনুল হক জানান, ‘সবকিছু ঠিক থাকলে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১৮ মার্চ সোনাগাজী পৌর নির্বাচনের মনোনয়ন জমাদান এবং ২৪ মার্চ প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে।’

ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা আলাউদ্দিন বলেন, ‘দলের কঠিন সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা রাখা তরুণ যুবদল নেতা খুরশিদ আলমকে প্রার্থী করা হলে দলের জন্য মঙ্গল হবে।’

৯টি ওয়ার্ড নিয়ে ২০০২ সালে গঠিত হয় সোনাগাজী পৌরসভা। ২০০৩ ও ২০১১ সালের পৌর নির্বাচনে দু’বার বিএনপির মেয়রপ্রার্থী বিজয়ী হলেও পরবর্তীতে ২০১৬ সাল থেকে হাত ছাড়া হয়ে যায় মেয়র পদটি। ২০১৬ সালের পৌর নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকনের কাছে হেরে যান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন সেন্টু।



আরো সংবাদ