৩০ মে ২০২০

করোনার কারণে লকডাউনে বেকায়দায় শ্রমজীবী মানুষ

করোনার কারণে লকডাউনে বেকায়দায় শ্রমজীবী মানুষ - ছবি: নয়া দিগন্ত

করোনাভাইরাস সতর্কতায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ। যারা দিন আনে দিন খায় শ্রেণীর মানুষ, তারাই বেশি বেকায়দায় পড়েছেন। আর তাদের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দকৃত মানবিক ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিতে কাজ করছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

রোববার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) স্নেহাশীষ দাশ।

১টি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চান্দিনা উপজেলার সকল হতদরিদ্রের তালিকা করে তাদের ঘরে ঘর শুকনো খাবার ও ১০ কেজি করে চাল, আলু, তৈল, ডাল, লবণ, সাবান ইত্যাদি সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিটি ইউনিয়নে ২০জন করে এবং পৌরসভায় ৫০জন সহ মোট ৩শত ১০জনের মাঝে ওই শুকনা খাবার বিতরণ হয়। এছাড়া ৮৫০জন হতদরিদ্রের তালিকা করে মাথাপিছু ১০ কেজি করে বিতরণ কাজ চলছে। এতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র ও প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের সম্পৃক্ত করে তালিকা অনুযায়ী ওইসব সামগ্রী বিতরণ চলছে।

এদিন উপজেলার বাড়েরা, মাইজখার ও এতবারপুর ইউনিয়নে চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নেহাশীষ দাশ বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ওই খাবার পৌঁছে দেন। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ মো: আবুল ফয়সল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মাজহারুল ইসলাম, মাইজখার ইউপি চেয়ারম্যান মো: শাহ্ সেলিম প্রধান, বাড়েরা ইউপি চেয়ারম্যান মো: খোরশেদ আলম, এতবারপুর ইউপি চেয়ারম্যান একেএম মামুনুর রশিদ আবু প্রমুখ।

চান্দিনা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মাজহারুল ইসলাম জানান, প্রতিটি ইউনিয়নে পাঁচশত কেজি করে চাল এবং পৌরসভায় ২ টন চাল বরাদ্দ হয়েছে। যা হতদরিদ্রদের মাঝে ১০ কেজি করে বিতরণ করা হবে।

চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নেহাশীষ দাশ জানান, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের সমন্বয়ে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা, দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সাথে সমন্বয় করে খেটে খাওয়া হতদরিদ্রের তালিকা করেছি। এছাড়া ইটভাটায় কর্মরত অন্যান্য জেলার শ্রমিকদেরকেও ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছি। রোববার থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে সাথে নিয়ে ত্রাণ পৌঁছাতে কাজ করেছি। প্রতিটি প্যাকেটে শুকনা খাবার এর মধ্যে চাল, আলু, তৈল, ডাল, লবণ, সাবান ইত্যাদি রয়েছে। দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য সরকারিভাবে ওই বরাদ্দ দেওয়া হয়।


আরো সংবাদ