০৫ এপ্রিল ২০২০

সরাইলে আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সাবেক ইউপি মেম্বার ও আওয়ামী লীগ নেতা আবু বকর ছিদ্দিক প্রকাশ রকেটকে হত্যার ঘটনায় উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান মো: শের আলম মিয়াসহ ২২জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত রকেট মেম্বারের পুত্র শাহনেওয়াজ রনি বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে সরাইল থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- সরাইল সদরের বেপারিপাড়ার মৃত ধনু বেপারির ছেলে আরমান মিয়া, স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহ আলম মিয়া, আজমান মিয়া, আরমান মিয়ার ছেলে রিয়াদ মিয়া ও হৃদয় মিয়া, আজমান মিয়ার ছেলে ফরহাদ মিয়া ও রাশেদ মিয়া, জেলা শহরের কান্দিপাড়ার ইয়াছিন মিয়ার ছেলে রিকসন মিয়া, মৃত পাঠান মিয়ার ছেলে আকরাম মিয়া ও আনোয়ার হোসেন, বাদল মিয়ার ছেলে হামীম মিয়া, সরাইল বেপারিপাড়ার শাহ আলম মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া, আজমান মিয়ার ছেলে জয়, কালিকচ্ছ বেপারিপাড়ার মৃত কুমেদ আলীর ছেলে কাচু মিয়া, মৃত রমজান মিয়ার ছেলে আনার মিয়া, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সরাইল উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শের আলম মিয়া, কালিকচ্ছ বেপারিপাড়ার শাহেদ মিয়ার ছেলে মিটন মিয়া, জেলা শহরের কাজীপাড়ার ইয়াছিন মিয়া, সদরের বেপারিপাড়ার মৃত তারু মিয়ার ছেলে দৌলত মিয়া, নাজু মিয়ার ছেলে ওসমান গনি ওরফে রোপম, সদরের দক্ষিণ আরিফাইল গ্রামের মৃত আবদুল আলীর ছেলে মিছির আলী এবং স্বল্প নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত আবদুল হামিদের ছেলে নান্নু মিয়া। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাত পাঁচ/ছয় জনকে আসামি করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত পুলিশ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রিকসন মিয়া, আকরাম মিয়া, আনোয়ার হোসেন, হামীম মিয়া, নান্নু মিয়া, কাচু মিয়া ও তার ছেলে শরীফ মিয়া। এদের মধ্যে একজন ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, উপজেলার সদর ইউনিয়নের বেপারীপাড়া গ্রামের বর্তমান মেম্বার শাহ আলম ও একই এলাকার নিহত রকেট মেম্বার (সাবেক) এর মধ্যে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলা সদরের প্রাতঃবাজারে একদল অস্ত্রধারী ককটেল ফাটিয়ে আতংক সৃষ্টি করে। পরে তারা রকেট মেম্বারের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। এসময় স্থানীয়রা গুরুতর আহত রকেট মেম্বারকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রকেট মেম্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কমিটির সদস্য, সরাইল সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য ও একই ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ছিলেন।

এ ব্যাপারে সরাইল থানার ওসি সাহাদাত হোসেন টিটো বলেন, বেপাড়ীপাড়া গ্রামের রকেট মেম্বার ও শাহ আলম মেম্বারের মধ্যে গোষ্ঠীগত বিরোধ ছিল। তাদের একাধিক মামলাও আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। শাহ আলম মেম্বারের লোকজন পরিকল্পনা করে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা অতর্কিত হামলা চালিয়ে বাজারে রকেট মেম্বারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা ইতোমধ্যে এ ঘটনার সাথে জড়িত সাতজনকে গ্রেফতার করেছি। তাদের মধ্যে একজন এ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। একই সাথে হত্যাকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও পুলিশকে জানিয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে। অভিযুক্ত এক জনও রেহাই পাবে না।


আরো সংবাদ

করোনা নির্ণয়ের চৌকস প্রযুক্তির উন্মোচন করল ইরান করোনা মোকাবিলায় ৬৭,৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিলেন ট্রুডো ট্রলারে ঝুঁকিতে পদ্মা-যমুনা পাড়ি শ্রমিকদের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশের সোয়া চার কোটি মানুষ করোনা ঠেকাতে দক্ষিণ আফ্রিকার নির্দয় নীতি, আশাবাদী জনগণ নিউ ইয়র্কের মৃতের সংখ্যা ৩৫০০ ছাড়িয়েছে দুই সপ্তাহ ফাঁকা থাকলেও ঢাকার বাতাসের মান এখনো ‘অস্বাস্থ্যকর’ হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন শামীমা আক্তার রুবী সাহায্যপ্রার্থীর তালিকায় মধ্যবিত্তরাও করোনায় ইউরোপকে ছাড়িয়ে যেতে পারে ভারত

সকল