২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

পেকুয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আলম ডাকাত নিহত, বিপুল অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

কক্সবাজারের পেকুয়ায় পুলিশের সাথে ডাকাতদলের কথিত বন্দুকযদ্ধের পর উদ্ধারকৃত বিপুল পরিমাণ অগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি। ইনসেটে নিহত আলম ডাকাতের ফাইল ছবি। - নয়া দিগন্ত

পেকুয়ায় পুলিশের সাথে ডাকাতদলের বন্দুকযুদ্ধে আন্তঃ ডাকাত দলের প্রধান মো. আলম (৩১) নিহত হয়েছেন। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ অগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে।

সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২.৩০ টায় দিকে টৈটং ইউনিয়নের ফরেস্ট অফিস থেকে ৫০০ গজ দূরে গুদিকাটা নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. আলম প্রকাশ ডাকাত আলম পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের বদিউদ্দিন পাড়া এলাকার আবুল হোসেনের পুত্র।

স্থানীয়রা জানান, নিহত আলম রাজাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ নূরের আপন চাচাত ভাই এবং তার ঘনিষ্ট সহযোগি ছিলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানান, আলম ডাকাত এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। চেয়ারম্যানের ছত্রছায়ায় এলাকায় অস্ত্রবাজি, চাঁদাবাজী করে বেড়ালেও ভয়ে কেউ মুখ খুলত না।

থানা সূত্র জানায়, নিহত আলমের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্র, পুলিশ এসল্ট, চাঁদাবাজি সহ ৭ টি মামলা রয়েছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন তারা খবর পান যে, টইটং ইউনিয়নের গুদিকাটা নামক একটি পাহাড়ী এলাকায় দুটি ডাকাত দলের মধ্যে অস্ত্র কেনা-বেচার সূত্র ধরে তাদের দুপক্ষের মধ্যে বাক বিতন্ডার এক পর্যায়ে গুলাগুলি শুরু হয়। পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তারাও ফাঁকা গুলি চালান।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল আজম দৈনিক নয়াদিগন্তকে বলেন, এসএসপি সার্কেল মতিউল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযানের সময় পুলিশ অন্তত ৪৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। পরে তারা একটি ফাঁকা স্থানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আলম ডাকাতকে উদ্ধার করেহাসপাতালে পাঠালে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১২ টি অগ্নেয়াস্ত্র ও ২৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। অস্ত্রের মধ্যে ২ টি একনালা বন্দুক, ৯ টি এলজি ও ১ টি দেশীয় তৈরী টুটু বোর রাইফেল রয়েছে। ওসি দাবি করেন, ঘটনার সময় চকরিয়া সার্কেলের এএসপি মতিউল ইসলাম সহ অন্তত ৫ পুলিশ সদস্য আহত হন। অপরাপর আহতরা হলেন-পেকুয়া থানার ওসি তদন্ত মিজানুর রহমান, এ এস আই মেসবাহ উদ্দিন, ইব্রাহীম, কনস্টেবল শফিকুল ইসলাম।

ঘটনা সরেজমিনে জানতে মঙ্গলবার টইটং ইউনিয়নের গুদিকাটা এলাকায় গেলে স্থানীয়দের কেউ এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তারা গভীর রাতে কয়েকশ রাউন্ড গুলাগুলির শব্দ শুনেছেন বলে জানান। স্থানীয় চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলামও একই সুরে বলেন, তিনিও স্থানীয় লোকজনের ফোন পেয়ে বের হয়ে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পান।

এদিকে নিহত আলমের পিতা আবুল হোসেনে সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, ‘তার ছেলে গত ১১ নভেম্বর একটি মামলায় কক্সবাজার জর্জকোর্টে এডভোকেট আবু সালেকের মাধ্যমে হাজিরা দিয়ে বাড়ীতে ফেরার পথেঅপহৃত হন। এ ঘটনার ৮ দিন পর আজ তার ছেলে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে বলে শুনেছেন তিনি।’


আরো সংবাদ

সীমান্তে মাইন, মুংডুতে ৩৪ ট্যাংক (৯৭২২)কেন বন্ধু প্রতিবেশীরা ভারতকে ছেড়ে যাচ্ছে? (৭৫৯৮)সৌদি রাজতন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ করে সৌদি আরবে বিরোধী দল গঠন (৭১১২)৫৪,০০০ রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দিতে সৌদি চাপ : কী করবে বাংলাদেশ (৪৮৪৪)কাশ্মিরিরা নিজেদের ভারতীয় বলে মনে করে না : ফারুক আবদুল্লাহ (৪২২০)শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া ১৫ দিন পর এইচএসসি পরীক্ষা (৩৭৩৭)দেশের জন্য আমি জীবন উৎসর্গ করলেও আমার বাবার আরো দুটি ছেলে থাকবে : ভিপি নূর (৩৪৭৬)বিরাট-অনুস্কাকে নিয়ে কুৎসিত মন্তব্য গাভাস্কারের, ভারত জুড়ে তোলপাড় (৩৩৭২)আ’লীগ দলীয় প্রার্থী যোগ দিলেন স্বতন্ত্র এমপির সাথে (৩৩৩১)কক্সবাজারের প্রায় ১৪০০ পুলিশ সদস্যকে একযোগে বদলি (৩২৫৫)