০৩ আগস্ট ২০২০

চাঁদপুরে জমজমাট ইলিশের হাট, কোটি টাকার বেচাকেনা

24tkt

চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর পশ্চিম পাড়ে বিভিন্ন চরাঞ্চলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাধে ধরা হচ্ছে মা ইলিশ। নিয়মিত বসছে জমজমাট ইলিশের হাট। শুধু রাতের বেলাতে নয়, দিনের বেলাতেও জমজমাট ইলিশের হাট বসিয়ে বিক্রি করছে মা ইলিশ।

বিশেষ করে জেলার মতলব উত্তরের দক্ষিণ বোরচরে ও চরউমেদে রাতে জমজমাট ইলিশের হাট বসলেও দিনের বেলাও হাট চালাচ্ছে বীরদর্পে। প্রশাসন মা ইলিশকে রক্ষার জন্য মেঘনা নদীর পূর্ব অঞ্চলে অভিযান চালালেও পশ্চিম অঞ্চল থাকছে অরক্ষিত।

মা ইলিশ ধরা পড়ছে ঝাঁকেঝাঁকে এবং তা বিক্রি হচ্ছে পানির দামে। পানির দামে বিক্রি হলেও প্রতিদিন পাইকারী বেচাকেনা হচ্ছে কোটি টাকারও ওপরে। পদ্মা- মেঘনা নদীর পশ্চিম পাড়ে মা ইলিশের আড়ৎগুলো সবচেয়ে জমজমাট।

এখানে জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের মা ইলিশের আড়ৎ রয়েছে। এসব আড়ৎএ দিনে-রাতে কোটি টাকার ওপরে বেচাকেনা হয় বলে আলাপকালে নাম প্রকাশ না করার শর্তদিয়ে জানান কয়েকজন আড়ৎদার।

আর এসব আড়ৎ বা হাটে বেচা-কেনা হচ্ছে উৎসবমূখর পরিবেশে। পাইকারী ছাড়া এখানে কোন রকমের খুচরা বিক্রি হয় না। নৌ পথে এখানকার মা ইলিশ যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে।

স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম জানায়, এখানকার রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালীরা জড়িত আছে বলেই যে যার মতো করে মা ইলিশগুলো ধরছে এবং হাট বসিয়ে বিক্রি করছে।

স্থানীয় অনেকে জানিয়েছে, চরাঞ্চলে মা ইলিশের আড়ৎগুলো তুলনামূলক বেশী জমজমাট থাকে বেলা ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত, বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত, রাত সাড়ে ৭টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত। অন্য সময়েও মাছ আসে তবে তুলনামূলকভাবে কম।

পদ্মা-মেঘনা নদীর পাড়ের স্থায়ী মৎস্য আড়ৎগুলো বন্ধ থাকলেও মেঘনা পাড়ের লঞ্চঘাটগুলো সংলগ্ন অঞ্চল, মেঘনার পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে মা ইলিশ।

এছাড়া বাড়ী বাড়ী গিয়েও মা ইলিশ ফেরি করে বিক্রি করছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী। দিনের বেলায় নদীতে পূর্ব অঞ্চলের জেলেদের মাঝে পুলিশি আতংক থাকলেও সন্ধ্যার পর পুলিশী আতংক কেটে যায়। তবে পদ্মা-মেঘনা নদীর পশ্চিমাংশের নদীতে জেলেদের কোন রকমের ভয় কাজ করেনা।

কেননা, সেখানে মা ইলিশ রক্ষাকারী টাক্সফোর্স তেমন একটা যায় না বললেই চলে। আর গেলে তাদের উপরও জেলেরা হামলা চালায়।

এ ব্যাপারে চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকী জানান, মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বহু জেলেকে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। তবে এত বিশাল নদী এলাকা দিন-রাত পাহারা দেয়া খুবই কঠিন কাজ। জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা ও জেলেদের মধ্যে সচেতনতা না আসলে এ অভিযান সফল করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।


আরো সংবাদ

বাংলাদেশে করোনায় আরো ৩০ জনের মৃত্যু ষড়যন্ত্রকারীদের অব্যাহত অপচেষ্টা চলমান রয়েছে : সেতুমন্ত্রী রিকশাচালক শফিকুল ৮ দিন ধরে নিখোঁজ প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শব্দদূষণে মতে উঠেছে পর্যটকরা বন্যায় সাড়ে নয় হাজার টন চাল বিতরণ রৌমারীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু রোনাল্ডো, লেওয়ানদোস্কিকে টপকে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন সু জিতলেন ইম্মোবিলে বিজিবি’র অভিযানে ৫০ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য আটক রংপুরে ইয়াতিম শিশুদের মাঝে গোশত বিতরণ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ উল্লাহ মাস্টারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে আগুনে গোডাউনসহ ১৪ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই

সকল

সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা : পুলিশের ২১ সদস্য প্রত্যাহার (১৩১০১)আজারবাইজানে ঢুকেছে তুর্কি জঙ্গিবিমান; যৌথ মহড়া শুরু (৮৬৬১)ভারতের যেকোনো অপকর্মের কঠিন জবাব দেয়ার হুমকি দিলো পাকিস্তান (৬৫২৩)অবশেষে ১৪ লাখ টাকায় বিক্রি হলো সেই ‘ভাগ্যরাজ’ (৫৯২৮)লিবিয়া ইস্যুতে তুরস্ক ও আমিরাতের মধ্যে তুমুল বাগযুদ্ধ (৫৯০৯)আমিরাতের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে কেন সন্দিহান ইরান-কাতার? (৫৮০৪)ভারত-চীন সীমান্তের নতুন স্থানে চীনা বাহিনীর অবস্থান, আতঙ্কে ভারত (৫৪১৮)পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি (৫১৪৮)করোনায় লাশের মিছিল, কবরস্থানে জায়গা না হওয়ায় পুড়ানো হচ্ছে লাশ (৫০৫০)রাম মন্দিরের ভূমিপূজা মুসলিমবিদ্বেষী, টাইমস স্কোয়্যারে প্রদর্শন রুখতে নিউ ইয়র্কের মেয়রকে চিঠি (৪৪০৯)