লোড হচ্ছে...

গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সুশীলসমাজকে সচেতনতার আলো ছড়িয়ে দিতে হবে, যেন নাগরিকেরা আবেগের বদলে বিবেক দিয়ে বিচার করতে শেখে। সর্বোপরি প্রয়োজন এমন এক ‘জনসংস্কৃতি’ ও মূল্যবোধের পুনর্জাগরণ, যেখানে প্রতিটি নাগরিক পরস্পরের মর্যাদাকে সম্মান করতে শিখবে। উন্মত্ত জনতার হাতে ন্যায়বিচারের ভার তুলে দিলে সভ্যতা কখনো টেকে না; বরং তা সমাজকে বর্বরতার এক অন্তহীন চক্রে আবদ্ধ করে ফেলে। প্রফেসর ইউনূসের প্রতি এই হেনস্তা তাই কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়— এটি গোটা জাতির বিবেকের কাছে এক তীব্র প্রশ্ন। সভ্য জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে টিকে থাকতে হলে আমাদের মবের সংস্কৃতি নয়, আইন ও মর্যাদার সংস্কৃতিকেই আঁকড়ে ধরতে হবে

সামরিক জোটের সাফল্য কেবল কত সৈন্য, যুদ্ধবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র একত্র করা গেল, তার ওপর নির্ভর করে না। নির্ভর করে হুমকি সঠিকভাবে শনাক্ত করা, বেসামরিক মানুষকে রক্ষা করা এবং প্রতিপক্ষের সাথে যোগাযোগের পথ খোলা রাখার ওপর। ইরানকে ঘিরে সঙ্ঘাতের সমাধান, ইয়েমেনে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এবং সুদানে যুদ্ধ বন্ধের কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া লোহিত সাগরে স্থায়ী নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা কঠিন। মক্কা জোট যদি কেবল সামরিক প্রতিক্রিয়ার কাঠামো না হয়ে সঙ্ঘাত প্রতিরোধ ও কূটনৈতিক সমাধানের ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে পারে, তাহলে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যথায়, যে সমুদ্রপথ বিশ্বকে যুক্ত করে, সেটিই বিভক্তির রেখায় পরিণত হবে। আর সেই বিভাজনের মূল্য শুধু মধ্যপ্রাচ্য বা আফ্রিকার মানুষকে নয়, বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষকেও দিতে হবে
২ দিন আগে

সশস্ত্র বাহিনীকেও বুঝতে হবে, আদেশ দিয়ে জনআস্থা সৃষ্টি করা যায় না। শৃঙ্খলাবদ্ধ সদস্যরা যখন মানুষের জীবন রক্ষা করেন, অধিকারকে সম্মান করেন, নিজেদের কাজের ব্যাখ্যা দেন এবং জবাবদিহি মেনে নেন, তখনই আস্থা গড়ে ওঠে। তাই প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষার জন্য রাজনৈতিক অপব্যবহারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা সংশোধনের সংকল্পও প্রয়োজন। প্রত্যেক কর্মরত কর্মকর্তা, বিশেষ করে বেসামরিক দফতরে দায়িত্ব পালনকারীদের প্রতি আহ্বান দৃঢ় : পদমর্যাদা ধারণ করুন বিনয়ের সাথে, দায়িত্ব পালন করুন সাহসের সাথে। নিজের এখতিয়ার অতিক্রম করবেন না। তোষামোদের বিনিময়ে উন্নতি কেনার চেষ্টা করবেন না। কারো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য নিজের পোশাক ও পরিচয় ব্যবহার করতে দেবেন না
২ দিন আগে

সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার জন্য শাহবাজ শরিফের সরকারকে সব রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। এমন বার্তা দেয়া উচিত নয় যে, সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের নামে খায়বার পাখতুনখাওয়ায় নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই নীতির মাধ্যমে প্রদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে না। শাহবাজ শরিফের সরকার ইমরান খান ফোবিয়ায় বন্দী হয়ে গেছে। এ বন্দী সরকার পাকিস্তানকে বেসামরিক স্বৈরশাসনের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সরকারকে ইমরান খান ফোবিয়া থেকে মুক্ত হতে হবে এবং বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ওয়াজেদের পরিণতি থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
২ দিন আগে

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সহায়ক প্রয়োজনীয় উপকরণ যেমন— উচ্চ ফলনশীল বীজ ও বিভিন্ন সারের আনুপাতিক ব্যবহারের কারণে আমাদের দেশে উৎপন্ন হয় এমন সব ফসলের উৎপাদন কয়েকগুণ বেড়েছে। এমন অনেক মৌসুমি ফসল আছে যেগুলো বৈজ্ঞানিক পন্থায় চাষ করে সারা বছর উৎপন্ন করা সম্ভব। তা ছাড়া অতীতে যে ভূমিতে বছরে এক ফসল হতো, এখন একই ভূমিতে দুই বা তিন ফসল হচ্ছে। আবার একই ভূমিতে একটি ফসলের ফাঁকে ফাঁকে আরেক ফসলের চাষ হচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় ধান ও মাছের চাষ একই ভূমিতে একসাথে করা হচ্ছে। এ ধরনের উদ্ভাবনী পদ্ধতি প্রতিটি ফসল ও মাছ উৎপাদন বাড়াচ্ছে। কিন্তু কৃষক পর্যায়ে পাইকারি বিক্রয়মূল্য এবং ভোক্তাপর্যায়ে খুচরা বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ব্যাপক ফারাক থেকে যাচ্ছে। এতে বাড়তি উৎপাদন ও বাড়তি মূল্য কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে বড় ধরনের অবদান রাখতে পারছে না। বর্তমানে আমাদের বেশকিছু কৃষিপণ্য রফতানি হয়
৩ দিন আগে

ঢাকা থেকে কলম্বো, নাইরোবি থেকে কাঠমান্ডু— ইতিহাসের শিক্ষা অত্যন্ত নির্মম ও সত্য। যখন তরুণ সমাজ অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে এবং নিজেদের অধিকার ও মর্যাদার লড়াইয়ে রাজপথে নেমে আসে, তখন বন্দুকের গুলি কিংবা প্রশাসনিক দমননীতি দিয়ে তাদের আটকানো যায় না। দিল্লির শাসকগোষ্ঠী যদি রাজপথের দেয়াল লিখন পড়তে ব্যর্থ হয়, তবে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশটিতে জেন-জি তরঙ্গের ধাক্কায় মোদি সরকারের সামনেও একটি ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানই হয়তো অপেক্ষা করছে
৩ দিন আগে

ইসলামী ব্যাংকিংয়ের যাত্রা প্রমাণ করেছে, মানুষের মূল্যবোধ ও বাস্তব আর্থিক প্রয়োজনের মধ্যে সমন্বয় ঘটানো সম্ভব। বাংলাদেশে এ ধারার বিকাশে আইবিবিপিএলসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু অতীতের সাফল্য ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা নয়। এখন প্রয়োজন অভিজ্ঞতাকে নতুন সক্ষমতায় রূপ দেয়া— যেখানে পেশাদার ব্যবস্থাপনা, মানসম্মত বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ, কার্যকর শরিয়াহ তদারকি এবং গ্রাহকের প্রতি দায়বদ্ধতা একই সূত্রে গাঁথা থাকবে। ইসলামী ব্যাংকিংয়ের পরবর্তী সাফল্য নির্ভর করবে শুধু কত অর্থ সংগ্রহ করা হলো— তার ওপর নয়। ওই অর্থ কতটা দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহৃত হলো এবং মানুষের জীবনে কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারল, তার ওপরও। আইবিবিপিএলসির সামনে তাই লক্ষ্য শুধু নিজের অবস্থান ধরে রাখা নয়; বরং এমন একটি ব্যাংকিং সংস্কৃতি গড়ে তোলা, যেখানে ধর্মীয় মূল্যবোধের সাথে আধুনিক ব্যবস্থাপনা, আর্থিক বিচক্ষণতা ও জনকল্যাণের কার্যকর সমন্বয় ঘটবে
৩ দিন আগে

‘বিশ্বনবী’ গোলাম মোস্তফার অনন্য কীর্তি। বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় গ্রন্থগুলোর অন্যতম এ গ্রন্থখানি। এর অনন্যতা অনস্বীকার্য। বাংলা ভাষায় রচিত হজরত মুহাম্মদ সা:-এর জীবনী গ্রন্থগুলোর অন্যতম শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ বিশ্বনবী।
৩ দিন আগে

একজন সফল ব্যবসায়ী হওয়া সত্ত্বেও সেখ আকিজউদ্দীনের প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষা ছিল না। অক্লান্ত পরিশ্রম, কঠোর অধ্যবসায়, আপসহীন সততা, সর্বোপরি মহান আল্লাহর ওপর পরিপূর্ণ আস্থা তাকে সফলতার চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। বাস্তব অভিজ্ঞতা তার পুরো জীবনের নিয়ন্ত্রক। অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া জ্ঞান সহজে নিজের জীবনে ব্যবহার করতে পেরেছিলেন। বিশাল শিল্প পরিবার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার নিজের জীবনে স্কুল-কলেজের শিক্ষার প্রয়োজন হয়নি; বরং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি এক ধরনের অনাগ্রহ সৃষ্টি হয়েছিল। তবে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হওয়ায় সন্তানদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা লাভের প্রতি ছিলেন অয়োময় নির্দেশক ও যত্নবান, যার ডিভিডেন্ড আকিজ শিল্প পরিবার পাচ্ছে এখন। তাদের মেধা ও প্রতিভার সমন্বয়ে গড়ে তোলা তার প্রতিষ্ঠানে এখন হাজার হাজার শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। প্রকারান্তরে রাষ্ট্রীয় কোষাগার পাচ্ছে বেসরকারি খাতে পুনঃবিনিয়োগযোগ্য পুঁজি।
৪ দিন আগে

আর্থিক দৃষ্টিকোণ থেকে এ নীতি চীনের জন্য অত্যন্ত লাভজনক। বিদেশী চিড়িয়াখানাগুলো থেকে লিজ বাবদ পাওয়া লাখ লাখ ডলার চীন নিজেদের দেশের বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণের তহবিলে জমা করে। এর ফলে আজ বন্য পান্ডার সংখ্যা বেড়েছে এবং প্রাণীটি বিলুপ্তপ্রায় তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। পান্ডা কূটনীতি একটি স্বল্পমেয়াদি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ বা পিআর ক্যাম্পেইন হিসেবে শতভাগ সফল। এটি চীনের কমিউনিস্ট ভাবমর্যাদাকে বিশ্বের সাধারণ মানুষের কাছে মানবিক ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পেরেছে। একইসাথে বেইজিংয়ের জন্য বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যিক চুক্তি নিশ্চিত করেছে
৪ দিন আগে

ত্রিবেদীর মন্তব্য তাই একটি ব্যাখ্যা এবং একই সাথে একটি পরীক্ষার আমন্ত্রণ। পতিত ও মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আশ্রয় দেয়া যদি দায়িত্ব হয়, তবে সীমান্তে নিহত মানুষের জীবনের প্রতি দায় কী? ব্যাংক লুটের অর্থ ফেরত এবং পি কে হালদারের মতো অভিযুক্তের প্রত্যর্পণে অগ্রগতি কোথায়? ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪-এর বিতর্কিত নির্বাচনে ধারাবাহিক কৌশলগত স্বাভাবিকীকরণের দায় কী? গঙ্গা, তিস্তা, টিপাইমুখ ও ৫৪ অভিন্ন নদীর ন্যায্য হিস্যার প্রতি দায় কী? এসব প্রশ্ন সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও সচেতন নাগরিককে করতে হবে। শেষ প্রশ্ন একটিই, ভারতের দায়-দরদ কার প্রতি— বাংলাদেশের জনগণের প্রতি, নাকি একশ্রেণীর অভিযুক্ত ও ক্ষমতাচ্যুত রাজনৈতিক গোষ্ঠীর প্রতি? কোনো দল বা ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী কৌশল হতে পারে না, যদি তা জনগণের আস্থা হারায়। স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণ কৃতজ্ঞতা বোঝে, অধীনতা মেনে নেয় না; বন্ধুত্ব চায়, অসম মর্যাদা নয়; সহযোগিতা চায়, পছন্দমতো নীরবতা নয়
৪ দিন আগে

কিশোরবেলা হলো— দুঃসাহসিক অভিযানের ব্যাকড্রপ। এ কারণেই কিশোর উপন্যাসের এত কদর। কিশোর উপন্যাস মানে— ম্যারম্যারা উপন্যাস নয়। এতে থাকে গোয়েন্দাগিরি, থাকে রোমাঞ্চ আর অ্যাডভেঞ্চার। মার্ক টোয়েনের ক্লাসিক কিশোর অ্যাডভেঞ্চার ‘টম সয়্যার’ এর ডানপিটে কিশোর টম। টোয়েনের আরেক সৃষ্টি ‘হাকলবেরি ফিন’। এতে মিসিসিপি নদীতে ভেলা ভাসিয়ে পালিয়ে যায় ঘরহারা কিশোর হাক। সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা চরিত্রের ছায়াসঙ্গী তোপসে (তপেশরঞ্জন মিত্র)। কিশোরবেলায় এই চরিত্রগুলোর মধ্য দিয়েই নিজেকে দেখেছি। এখনো ফিরে ফিরে সেই বেলায় যেতে হয়। কেন যেতে হয়?
৪ দিন আগে

সংসদের শরীরে এখনো নতুনত্বের ঘ্রাণ আছে। তাই পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি নতুন সংসদকে গ্রাস করবে, নাকি নতুন সংসদ পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের চেষ্টা করবে, তা-ই দেখার বিষয়। অনেকে তক্কে তক্কে আছে, পুরনো সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার। কারো পা যেন সেই ফাঁদে না জড়ায়। গণতন্ত্রকে সফল করার এটি একটি সুবর্ণ সুযোগ। তবে চার দিক থেকে ঈশান কোণে কালো মেঘ ছুটে আসছে, হুঁশিয়ার থাকতে হবে। সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না
৫ দিন আগে

রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা সত্ত্বেও অর্থনৈতিকভাবে দেশ এগিয়ে যেতে না পারায় সরকারের অদক্ষতা-ব্যর্থতা ফুটে ওঠে। সরকার অভিজ্ঞ ও দক্ষ হলে দেশ অর্থনীতিতে এগিয়ে যায়। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের প্রাণশক্তি অর্থনীতি এ কথা মনে রাখতে হবে। তাই অর্থনীতির ওপর জোর দিতে হবে।
৫ দিন আগে

বিমানবন্দর কারো পৈতৃক সম্পত্তি বা ব্যক্তিগত জমিদারি নয়; এটি রাষ্ট্রের সম্পত্তি এবং জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত একটি জাতীয় সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। কয়েকজনকে বদলি বা সাময়িক বরখাস্ত করে মূল সমস্যা ধামাচাপা দেয়ার পুরনো ও ব্যর্থ কৌশল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে দল-মত ও পদের ঊর্ধ্বে উঠে অপরাধী ও কর্তব্যে অবহেলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তবেই একটি আন্তর্জাতিক মানের মর্যাদাপূর্ণ, নিরাপদ ও সেবামুখী বিমানবন্দরে রূপান্তরিত হতে পারে ঢাকা বিমানবন্দর, যেখানে প্রবাসীদের দীর্ঘশ্বাসের বদলে শোনা যাবে পরম স্বস্তির নিঃশ্বাস।
৬ দিন আগে

ভারতের দৃষ্টিতে পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের একই কাঠামোয় যোগদান, দক্ষিণ এশিয়ায় একটি নতুন নিরাপত্তা সমীকরণ তৈরি করবে। অনেকে এটিকে ভারতের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টিকারী বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন। চুক্তির বাস্তব প্রয়োগের নিয়ম, যতক্ষণ পুরোপুরি পরিষ্কার হচ্ছে না, ততদিন বাংলাদেশকে না জেনে চুক্তিতে যোগদান করা যুক্তিসঙ্গত হবে না। চীন, বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদার। একই সাথে পাকিস্তানও চীনের ঘনিষ্ঠ নেতিবাচক হিসেবে দেখবে না। বাংলাদেশ এর পূর্ণ সদস্য হওয়ার বিষয়ে ধীরস্থির ভাবে, আবেগ বর্জিতাবস্থায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
৬ দিন আগে
