লোড হচ্ছে...

বাংলাদেশের সামগ্রিক মানবপাচার পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যায়, পাচারকারীরা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশলে পরিবর্তন আনছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের আন্তর্জাতিক ‘ট্রাফিকিং ইন পারসনস’ (টিআইপি) প্রতিবেদনে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে দ্বিতীয় ধাপে আছে। নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাচার প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগ থাকলেও ঘাটতি ও চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি। আমরা আশা করি, এই ঘাটতিগুলো কাটিয়ে উঠতে উদ্যোগী হবে সরকার। দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা পাচারকারীদের নেটওয়ার্ক ধ্বংস করতে হবে। রাশিয়ায় আটকে থাকা অন্যান্য বাংলাদেশীদের উদ্ধারে পররাষ্ট্র ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে হবে। তাদের চিকিৎসায় পদক্ষেপ নিতে হবে। কূটনৈতিক চ্যানেলে এ ধরনের অমানবিক আচরণের প্রতিবাদ জানাতে হবে। নিহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এলজিইডিসহ সরকারি তদারকি কর্মকর্তাদের ব্যর্থতা ও পরোক্ষ যোগসাজশের বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা জরুরি। আট বছর ধরে কাজ বন্ধ থাকার পরও মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলী ও প্রশাসনিক কর্তারা কেন চুপ ছিলেন, সঠিক সময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেননি কেন, সে হিসাবও বের করতে হবে। মনিটরিং ব্যবস্থা আরো গতিশীল করা জরুরি, যাতে প্রকল্প শুরুর পর কোনো ঠিকাদার কালক্ষেপণ করলে শুরুতেই ব্যবস্থা নেয়া যায়। এখন স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত নাগরিক কমিটি গঠন এবং ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে প্রতিটি কাজের অগ্রগতি প্রকাশ্যে আনার সময় এসেছে।
২ দিন আগে

ঘটনাটি উদ্বেগজনক। রান্নার অন্যতম প্রধান উপকরণে বিষাক্ত উপাদান থাকার অর্থ— গোটা জাতিই প্রতিদিন বিষক্রিয়ার শিকার হচ্ছে। এর ফলে শুধু রোগব্যাধির প্রকোপ বাড়ছে এমন নয়, শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। এটি ভবিষ্যতে গুরুতর পরিণতি নিয়ে আসতে পারে।
৩ দিন আগে

এ যুদ্ধ আমাদের জন্য দুই কারণে উদ্বেগের। মুসলমানদের পবিত্র মক্কা নগরী ও নবী মুহাম্মদ সা:-এর স্মৃতিবিজড়িত মদিনা সৌদি আরবে অবস্থিত। এই দু’টির সাথে এ দেশের মুসলমানদের ধর্মীয় আবেগ-অনুভূতি জড়িত। যুদ্ধের ভয়াবহ বিস্তারে ধর্মীয় এই দুই অবস্থানের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি করেছে। যদিও হুথিরা বলেছে, কোনোভাবে মক্কা-মদিনায় আক্রমণ হবে না।
৩ দিন আগে

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায়, সরকার যদি ভর্তুকি পাওয়ার যোগ্যদের সঠিক বাছাই করতে পারত দারিদ্র্যবিমোচন হতে পারত অনেক কম খরচে। উদ্বৃত্ত অর্থ সরকার অনায়াসে অন্য খাতে ব্যয় করে দেশের উন্নয়ন ঘটাতে পারত। এ অদক্ষতা দূর করতে হলে ঢালাও ভর্তুকি নীতি পরিহার করে ব্যয়ের ক্ষেত্রে পিনপয়েন্ট হতে হবে। যার প্রয়োজন শুধু তাকেই সরকারি সহায়তার আওতায় আনতে হবে।
৪ দিন আগে

দেশের তরুণ ও যুুবকরা অনেক স্বপ্ন নিয়ে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে। সেই স্বপ্ন ছিল ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়া। রাষ্ট্রের রন্ধ্র্রে রন্ধ্রে দুঃশাসন ও দুর্নীতি নির্মূল করা। তরুণ ও যুবকদের চাকরির ক্ষেত্রে অতীতের স্বৈরাচারী নিয়োগ প্রক্রিয়া বহাল থাকলে তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা কেবল বাড়বে, যা কারো জন্যই কাম্য নয়।
৪ দিন আগে

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের অন্য দফতরগুলোরও দায়িত্ব ভাসমান মানুষের কল্যাণে উদ্যোগ নেয়া। কিন্তু দেখে শুনে মনে হয় না কারো কোনো দায়িত্ব আছে। এই দায়িত্বহীনতা প্রমাণ করে আমাদের সমাজ প্রায় চেতনাশূন্য বা মৃতসম। সমাজে জ্যান্ত মানুষের বেশে মূলত মৃতরা হেঁটে বেড়াচ্ছে। কারণ জীবিত কারো পক্ষে সমাজের একটি শ্রেণীর মানুষের তিলে তিলে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার চাক্ষুষ বাস্তবতা উপেক্ষা করা অসম্ভব।
৫ দিন আগে

কেবল নতুন আইন করে মানবপাচারের মতো অপরাধ মোকাবেলা সম্ভব নয়। পাচারকারীদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকদের অভিবাসন ব্যয় কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অভ্যন্তরীণ পাচার রোধে সীমান্ত ও অঞ্চলভিত্তিক কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে। আশা করি, এসব কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করা হলেই কেবল বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মান অর্জন করবে। ঝুঁকিমুক্ত হবে বিদেশ গমনে ইচ্ছুক শ্রমিকদের জীবন।
৫ দিন আগে

বিইআরসির শুধু গ্যাসের দাম নির্ধারণ করে দিয়ে দায়িত্ব শেষ করছে। বাজারে এটি বাস্তবায়িত হলো কি না তার কোনো খবর নেই সংস্থাটির। অন্যদিকে ভোক্তা অধিকার অধিদফতরও ক্রেতার স্বার্থ সংরক্ষণে চরমভাবে উদাসীন। নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও এত টাকা বেশিতে বিক্রি হওয়া সত্ত্বেও কার্যকর তদারকি ও কঠোর শাস্তির অভাব প্রমাণ করে, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো দায়িত্ব পালনে চরমভাবে ব্যর্থ হচ্ছে।
৬ দিন আগে

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নেয়া উদ্যোগ যেন মানুষের জায়গা জমি দখল কিংবা অন্য কোনো মন্দ উদ্দেশ্যে ব্যবহার না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। অনেক সময় অসৎ রাজনৈতিক নেতাকর্মী একে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যবহার করতে পারেন। অন্যের জায়গা সম্পদ দখলে কাজে লাগাতে পারেন। সরকারকে এটিও খেয়াল রাখতে হবে।
৬ দিন আগে

সরকারের উচিত নীতি ও বাস্তবায়নের দ্বৈত অবস্থান থেকে সরে আসা। সেই সাথে চারা রোপণের বিশাল পরিসংখ্যান দেখানোর পাশাপাশি বিদ্যমান সবুজ ও পূর্ণাঙ্গ বৃক্ষরাজি রক্ষায় কঠোর আইন প্রণয়ন করা। এটি প্রয়োগ এখন খুব প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। মনে রাখা দরকার, প্রকৃতি ধ্বংস করে যে উন্নয়ন; তা কখনো দীর্ঘমেয়াদে প্রাণবৈচিত্র্যের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। প্রাণবৈচিত্র্য অক্ষুণ্ন রেখে উন্নয়ন নকশায় সবুজ রক্ষা করে দেশের অগ্রযাত্রার পথ সুগম করা হোক এখনকার নীতি।
৭ দিন আগে

আমরা মনে করি, বহর যোগ হওয়ার আগেই নতুন পাইলট, অভিজ্ঞ প্রকৌশলী ও দক্ষ ক্রু তৈরিতে বিনিয়োগ করতে হবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ সিলেট ও কক্সবাজারের মতো বন্দরগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের হ্যাঙ্গার সুবিধা বাড়াতে হবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে আমলাতান্ত্রিক অচলাবস্থা থেকে বের করে আন্তর্জাতিক পেশাদারিত্ব, প্রযুক্তিগত ঔৎকর্ষ ও বাণিজ্যিক দক্ষতার কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে।
৭ দিন আগে

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে সংস্কারের সুপারিশ ছাড়াও বাস্তব করণীয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে— সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতাধীন একাধিক খাদ্যভিত্তিক ভর্তুকি কর্মসূচি একীভূত করা এবং ফ্যামিলি কার্ডের সাথে বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচি যথাযথভাবে সমন্বয় করা হলে অতিরিক্ত সাড়ে ২৮ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব। মূলত ২০১৯-২০ সালের বিপর্যয়কর কোভিড মহামারীর সময় থেকেই বাংলাদেশে গরিবির হার বৃদ্ধির প্রবণতা শুরু হয়। আর্থিক খাতে সংস্কার ও শত ভাগ সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া উত্তরণের কোনো উপায় নেই। এই বাস্তবতা সরকার যত দ্রুত অনুধাবন করবে দেশ ও জাতির জন্য ততই মঙ্গল।
৮ দিন আগে

বিএনপি এ সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। দেশের মানুষকে ব্যাপক স্বপ্ন আর আশা-আকাক্সক্ষা দেখিয়ে তারা রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। তাদের কাছে থেকে মানুষ এ ধরনের একটি ঘটনাও আর দেখতে চায় না, সে বিষয়ে বিএনপিকে তার নেতাকর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিতে হবে। একের পর এক এমন ঘটনা ঘটানোর কারণে অনেকে বলার চেষ্টা করছে— বিএনপি সরকার অতীতের আওয়ামী লীগ সরকারের মতো। ব্যর্থ সরকার বলার সুযোগও নিচ্ছে অনেকে। এমতাবস্থায় দলটির জন্য সতর্কতা জরুরি। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখার প্রত্যাশা করেছিল। রাজনৈতিক দলগুলোকে সেই সংস্কৃতি উপহার দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি দলের ভূমিকাই বেশি। নানা ক্ষেত্রে তাদেরকেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।
৮ দিন আগে

বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রধান শক্তির জায়গা ছিল আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে ‘নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী’ হিসেবে চার দশকের সুনাম। এই অর্জন হাতছাড়া হতে দেয়া যাবে না। জ্বালানি সঙ্কটের দ্রুত সমাধান, আধুনিক লজিস্টিক ব্যবস্থা এবং উদ্ভাবনী পণ্যের সুপরিকল্পিত রূপান্তরই পারে ঝড়ের মুখে পোশাক শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে।
৯ দিন আগে

প্রশিক্ষণ কোনো লক্ষ্য নয়, কর্মসংস্থানে পৌঁছানোর মাধ্যম মাত্র। সরকারি বিপুল অর্থের সাফল্য সনদ বিতরণে নিহিত নয়; বরং কতজন বেকারের স্থায়ী কর্মসংস্থান হলো। কতজন নারী নিজস্ব ব্যবসা দাঁড় করাতে পারলেন। কতজন বিদেশী শ্রমবাজারে শক্ত অবস্থান পেলেন তার ওপর নির্ভর করছে সাফল্য। সঙ্গতকারণে আমরা বলতে চাই, প্রকল্পটি যেন আমলাতান্ত্রিক ও প্রথাগত বৃত্তে আটকে না যায়। মূল অর্থ যেন আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় না হয়ে দক্ষতা অর্জনে ব্যবহৃত হয়।
৯ দিন আগে
