৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯, ৩ রবিউল আওয়াল ১৪৪৪ হিজরি
`

নদীর পানি বাড়ায় ঝালকাঠির নিম্নাঞ্চলের ২৫ গ্রাম প্লাবিত

নদীর পানি বাড়ায় ঝালকাঠির নিম্নাঞ্চলের ২৫ গ্রাম প্লাবিত - ছবি : নয়া দিগন্ত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও পূর্ণিমায় জোয়ারের প্রভাবে ঝালকাঠির সুগন্ধা, বিষখালী, গাবখান, ধানসিঁড়িসহ জেলার সকল নদীর পানি বেড়ে চলা অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট বেড়ে জেলার চার উপজেলার অন্তত ২৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র পানি বাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জোয়ারের পানির সাথে থেমে থেমে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ভোগান্তি আরো বেড়েছে। তলিয়ে গেছে কয়েকটি গ্রাম। কাঠালিয়া উপজেলার বিষখালী নদীর অংশে বেড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ারের পানিতে উপজেলা পরিষদ ভবন, ইউএনও-এর বাসভবনসহ ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া সদর উপজেলার পাঁচটি, রাজাপুরের পাঁচটি ও নলছিটির পাঁচটি গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

পানি বাড়ায় কৃষি-মৎস্যসহ গ্রামের কাঁচা ঘরবাড়ি ও রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে এলাকার সাধারণ মানুষ। এ ছাড়া পানিতে ছোটবড় পুকুরসহ অনেক মাছের ঘের ডুবে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মৎস্য চাষিরা।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, সকাল থেকে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে রোপা আমন ও আমনের বীজতলা ডুবে গেছে। পানি স্থায়ী হলে আমন বীজতলার ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছে তারা।

কৃষি বিভাগ জানায়, জোয়ারে পানি উঠলেও তা আবার ভাটায় নেমে যায়। পানি স্থায়ী না হলে কৃষিতে তেমন কোনো ক্ষতির আশঙ্কা নেই।

ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিব হোসেন জানান, জেলার সবক’টি নদীর পানি বেড়েছে। এর মধ্যে বিষখালী নদীর তীরবর্তী কাঠালিয়া উপজেলায় বেড়িবাঁধের পরিমাণ খুবই কম। যার ফলে সামান্য পানি বাড়লেই নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যায়। গুরুত্ব বিবেচনা করে সেখানে বেড়িবাঁধ নির্মার্ণের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

 


আরো সংবাদ


premium cement