২২ মে ২০২২
`

মুক্তিপণ দিয়ে ট্রলারসহ ২২ জেলে ফেরত, এখনো নিখোঁজ মাঝি

মুক্তিপণ দিয়ে ট্রলারসহ ২২ জেলে ফেরত, এখনো নিখোঁজ মাঝি - ফাইল ছবি

অহপরণের দুদিনের মাথায় মুক্তিপণ দিয়ে ২৩ জেলের মধ্যে ২২ জেলেকে ফেরত দিলেও ওই ট্রলারের মাঝি আনোয়ার হোসেনের জীবন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসা জেলেরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোর রাত ৪টার দিকে গভীর বঙ্গোপসাগরে সাইফুল ইসলাম-৩ নামে একটি মাছধরা ট্রলারসহ ২৩ জেলেকে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করে জলদস্যুরা। এ সময় ট্রলারসহ ২৩ জেলেকে মুক্তিপণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

ওই ট্রলারের মধ্যে আবুল কালাম, মো: সবুজ, জাকির, মো: জাহের, বশিরসহ ২২ জন ফিরে এলেও মাঝি আনোয়ার হোসেনের জীবন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে জেলে ও ট্রলার মালিক।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, লক্ষ্মীপুর এলাকার ট্রলার মালিক মাহফুজ মিয়ার মালিকানা এফবি সাইফুল-৩ ট্রলারসহ ২৩ জেলে বঙ্গোপসাগরের গভীরে মাছ শিকার করছিল। রাত ৩টার দিকে ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র জলদস্যু বাহিনী মুক্তিপণের দাবিতে জেলেদের অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে শনিবার দুপুর ১টার দিকে ট্রলার মালিকের কাছে মোবাইল ফোনে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

অপহরণের পর থেকেই বারবার ট্রলার মালিকের কাছে মুক্তিপণের টাকা দাবি করে আসছিল ওই জলদস্যু বাহিনী। পরে রোববার (১৬ জানুয়ারি) রাতে ট্রলার মালিক মাহফুজ মিয়া অনেক অনুরোধের পর ২ লাখ টাকা দেয়ার পর ট্রলারসহ ২২ জেলেকে ফেরত দিলেও মাঝি আনোয়ার হোসেনকে ওই ট্রলার থেকে জলদস্যুরা সাগরে ফেলে দেয়। পরে জলদস্যুরা চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ওই এলাকায় তল্লাশি করেও আনোয়ারকে না পেয়েই চলে আসে জেলেরা। এখন পর্যন্ত আনোয়ারের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।


আরো সংবাদ


premium cement