২৬ নভেম্বর ২০২০

ঝালকাঠিতে ভারী বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি


সাগরে গভীর নিন্মচাপের কারণে ঝালকাঠিতে শুক্রবার সকাল থেকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। বৃষ্টির পাশাপাশি বইছে দমকা হাওয়া। এদিকে সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি ঢুকে পড়েছে শহরের রাস্তাঘাট, ফসলের ক্ষেত ও মাছের ঘেরে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঝালকাঠিতে ১৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পানি বেড়ে যাওয়ায় নদী তীরের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পরপর তিন থেকে চারবার পানিতে প্লাবিত হওয়ায় আমন আবাদ নিয়ে কৃষকরা শঙ্কার মধ্যে ছিল। শেষ মুহূর্তে চড়া মূল্যে বীজ ক্রয় করে আমন আবাদ করলেও আবার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা শঙ্কিত। আমনের এখন পর্যন্ত তেমন ক্ষতি না হলেও ভারী বৃষ্টিতে আগাম শীতকালীন সবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

রাজাপুর উপজেলা সদরের পূর্ব চর রাজাপুর এলাকার কৃষক আলমগীর হোসেন জানান, গত দুই দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে আগাম শীতকালীন সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলার ইন্দ্রপাশা গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজ বলেন, টানা ভারী বৃষ্টিতে আমন ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে। যেসব ক্ষেতে ধানের ছড়ি বের হয়েছিল তা নুয়ে পড়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজউল্লাহ বাহাদুর বলেন, ভারী বর্ষণে আগাম শীতকালীন সবজির ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টি আরো দুই-এক দিন অব্যাহত থাকলে ধান ও সবজির ক্ষতি হবে।

ঝালকাঠির কৃষি অধিদফতরের উপপরিচালক ফজলুল হক বলেন, পানিতে তলিয়ে থাকা আমনের বীজতলা ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পানি নেমে গেলে আমনের কোনো ক্ষতি হবে না তবে রবিশস্যের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ ক্ষতি হতে পারে।


আরো সংবাদ