২৬ অক্টোবর ২০২০

মঠবাড়িয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা গ্রেফতার ১

মঠবাড়িয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা গ্রেফতার ১ - নয়া দিগন্ত

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ষষ্ঠ শ্রেণীর এক মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধর্ষিতা মাদরাসা ছাত্রীর বাবা অটোচালক বাদি হয়ে বুধবার থানায় ওই মামলাটি দায়ের করেন। এতে ধর্ষক নাঈম শরীফ (২১) তার বড় ভাই মো: মহারাজ শরীফ (২৮) ও মা তহমিনা বেগমকে (৫০) আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় ধর্ষকের বড় ভাই অভিযুক্ত মহারাজ শরীফকে বুধবার রাতে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এ মামলার আসামিরা উপজেলার তেতুঁলবাড়িয়া (ভাঙ্গাপোল) এলাকার হানিফ শরিফের ছেলে ও স্ত্রী।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ধর্ষিতা মাদরাসা ছাত্রী ও ধর্ষক মো: নাঈম শরীফ সম্পর্কে আপন খালাতো ভাই-বোন। ধর্ষণের শিকার ওই মাদরাসা ছাত্রী উপজেলার গুদিঘাটা দখিল মাদরাসায় লেখাপড়া করে। ধর্ষক খালাতো ভাইয়ের আগে বিভিন্ন সময় ওই মাদরাসা ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এ বিষয়ে ওই মাদরাসা ছাত্রীর বাবা তার ভায়রার ছেলে ওই ধর্ষক নাঈমের বড় ভাই মহারাজ ও তার মা তহমিনাকে জানায়। তারা নাঈমকে সর্তক না করে বিয়ের প্রস্তাব দেয় এবং ভাই ও মায়ের সহযোগিতায় নাঈম বিভিন্ন ধরণের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করে। তারই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে ওই মাদরাসা ছাত্রীকে ফুসলিয়ে পার্শ্ববর্তী ভান্ডারিয়া উপজেলার ইকোপার্কে ঘুরতে নিয়ে যায়। পরে রাতে সেখান থেকে ফিরে ধানীসাফা বাজার-ফুলঝুড়ি বাজার সড়কের পাশে মুজাম্মেল হোসেনের পরিত্যক্ত ঘরে অবস্থান করে রাত্রি যাপন করে ও ওই মাদরাসা ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে ধর্ষণ করে। বিষয়টি ধর্ষকের মা ও তার বড় ভাইকে জানালে তারা বিচারের আশ্বাস দিয়ে ধর্ষককে পালিয়ে যেতে সহায়তা করে।

মঠবাড়িয়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আব্দুল হক জানান, এ ব্যপারে ওই মাদরাসা ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে বুধবার রাতে থানায় মামলা করেছে। এ মামলায় অভিযুক্ত মহারাজকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, ধর্ষণের শিকার ওই মাদরাসা ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বুধবার সকালে পিরোজপুর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এ মামলায় ধর্ষকসহ অন্য আসামি গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।


আরো সংবাদ