২৯ মার্চ ২০২০

বরিশালে শিক্ষকের কারাদণ্ড, হোম কোয়ারেন্টিনে ১৫১০ জন

বরিশালে শিক্ষকের কারাদণ্ড, হোম কোয়ারেন্টিনে ১৫১০ জন - সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বরিশাল বিভাগে এক হাজার ৫১০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে আনা হয়েছে। যা আগের ২৪ ঘণ্টার থেকে প্রায় দ্বিগুণ। আগের ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টিনে ২৮১ জনকে আনা হয়েছিল।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিভাগের ছয় জেলার মধ্যে বরিশালে নতুন ১৩৫ জনসহ ৩৫৬ জন, পটুয়াখালীতে নতুন ১০৩ জনসহ ২৮২ জন, ভোলায় নতুন ৪৭ জনসহ ২৪৮ জন, পিরোজপুরে নতুন ৬৫ জনসহ ২৪৯ জন, বরগুনায় নতুন ৩৪ জনসহ ২২০ জন ও ঝালকাঠিতে নতুন ২৪ জনসহ ১৪৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় নতুন তিনজনসহ ১০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এছাড়া বরগুনা জেলায় একজন আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন। তবে বরিশাল বিভাগে এখন পর্যন্ত কারো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর কারণে বরিশাল টাউন স্কুলের প্রধানশিক্ষক মৃন্ময় বেপারীকে তিনদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নাজমুল হুদার পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এ আদেশ দিয়েছেন।

বরিশাল জেলা প্রশাসক এমএম অজিয়র রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় গত ১৮ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারের নির্দেশ অমান্য করে কোচিং করানোর দায়ে প্রধানশিক্ষককে তিনদিনের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। একইদিন সদর রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ্যাপলো ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সের নিচে রাজিয়া মেডিকেল হলে অধিক মূল্যে মাক্স বিক্রি করার অপরাধে মালিক রাসেলেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।


আরো সংবাদ