৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৫ অগ্রহায়ন ১৪২৮, ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি
`

কাউখালী হাসপাতালের উন্নয়নে পিলারেই পার ১৩ বছর

-

কাউখালীতে থমকে আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১০০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ। ২০০৮ সালে সম্প্রসারিত নতুন ভবন নির্মাণকাজ শুরুর পরই বন্ধ হয়ে যায়। একইভাবে ৩১ শয্যার পুরনো ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় ধসে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০৮ সালের ২৫ আগস্ট মেসার্স নূরই এন্টারপ্রাইজ নামে বরিশালের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাউখালী উপজেলা হাসপাতালের সম্প্রসারিত ৫০ শয্যার নতুন ভবনের নির্মাণকাজ পায়। ২০০৮ সালের ২৫ আগস্ট ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেয়া হয়। কার্যাদেশের ১৮ মাসের মধ্যে সম্প্রসারিত অবকাঠামো নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী ২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা। পরে ভবন নির্মাণের ভিত্তির জন্য দু’টি পুকুর খনন করে ভিত্তি আর পিলার নির্মাণ করে ফেলে রাখা হয়। এমন অবস্থায় স্থবির হয়ে পড়ে নির্মাণকাজ। কর্তৃপক্ষের নিকট বারবার এ ব্যাপারে অভিযোগ করলে ২০১৪ সালের ২৫ জুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির দরপত্রের কার্যাদেশ বাতিল করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে হাসপাতালের সম্প্রসারিত নতুন ভবন নির্মাণ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য চার ইউনিটের দু’টি নতুন আবাসিক ভবন নির্মাণ, একটি নতুন দোতলা বহির্বিভাগ ভবন ও পুরনো হাসপাতাল ভবন এবং কোয়ার্টারগুলোর সংস্কারকাজ অন্তর্ভুক্ত ছিল। নতুন হাসপাতাল ভবন নির্মাণ প্রকল্পে দীর্ঘসূত্রতায় উপজেলার চিকিৎসাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এ ছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৪ জন ডাক্তারের পদে ডাক্তার রয়েছেন মাত্র পাঁচজন। বিশেষজ্ঞ কোনো চিকিৎসক না থাকায় সাধারণ কোনো সমস্যায়ও ৬০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে যেতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মকর্তা ডা: হাবিবুর রহমান বলেন, অনেকবার আবেদনের পরও ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করনের জন্য নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করা যায়নি। ডাক্তার ও জনবল সঙ্কটের কারণে চিকিৎসাসেবায় বিঘœ ঘটছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ডাক্তার এবং রোগী উভয়ই আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।



আরো সংবাদ