২৩ এপ্রিল ২০২১
`

সময়ের একবছর পরও শেষ হয়নি কাজ : ধুলাবালুতে নিত্য দুর্ভোগ

-

দরপত্রে এক বছর আগে কাজ শেষ হওয়ার চুক্তিনামা থাকলেও এখনো সড়ক পাকাকরণের কাজই শুরু হয়নি। নওগাঁর রানীনগর-আবাদপুকুর ও কালীগঞ্জ সড়ক প্রায় ২২ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশায় দুর্ভোগ চরমে। ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে প্রায় প্রতিদিন। মাত্রাতিরিক্ত ধুলাবালুতে অসুস্থ হচ্ছেন স্থানীয় ও পথচারীরা।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এসপেক্টা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড ও ওয়াহেদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেড দরপত্রের মাধ্যমে ২০ নভেম্বর ২০১৮ সালে পাকা সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু ১৯ নভেম্বর ২০১৯ সালে শেষ করার কথা থাকলেও এখনো সড়কে পাকাকরণের কাজই শুরু করতে পারেনি। গেল দুই বছরে আগের পিচঢালা সড়কে আস্করণ উঠিয়েছে তারা। বর্তমানে ধুলা আর উঁচু-নিচু সড়ক হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ চরমে। অথচ এ সড়কে মালবাহী শত শত ভারী যানবাহন ট্রাক, ট্রাক্টর, মিনি ট্রাক, ভটভটি-নছিমন, টমটম, অটোভ্যান, মোটরবাইকসহ বিভিন্ন ছোট-বড় গাড়ি চলাচল করে। কয়েক লাখ মানুষ প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে রাস্তাটি। অনেক কষ্ট সহ্য করে যানবাহনগুলোতে চলাচল করছে হচ্ছে দীর্ঘ তিন বছর ধরে। সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছা হয় না যাত্রীদের। ভাঙা রাস্তায় গাড়ির ক্ষতিও বেশি হয়। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে ফোন ধরেননি।
নওগাঁ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (সওজ) সাজেদুর রহমান বলেন, নিদিষ্ট সময়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান দু’টি কাজ শেষ করতে পারেনি। গত অর্থবছরে করোনার কারণে আগের পাওনা বকেয়া থাকলেও এই অর্থবছরে তা পরিশোধ করা হয়েছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান দু’টিকে। তিনি আরো জানান, বকেয়া পরিশোধ করার পরও তাদের গাফিলতির কারণে কাজ শুরু করেনি। দ্রুত কাছ শেষ করার জন্য চূড়ান্ত নোটিশ দেয়া হয়েছে। যদি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান দু’টি কাজ শুরু না করে জরিমানাসহ তাদের কাজ বাতিল করে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে।
এতে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এমপি আনোয়ার হোসেন হেলাল। তিনি বলেন, জনস্বার্থে দ্রুত সড়কে কাজ শুরু করতে সংশ্লিষ্টদের অবগত করা হয়েছে।

 



আরো সংবাদ