২৭ জানুয়ারি ২০২১
`

যমুনার চরে মরিচের বাম্পার ফলন

-

চলতি বছর কয়েক দফা বন্যায় ক্ষতির শিকার বগুড়ার সারিয়াকান্দির যমুনার চরাঞ্চল সবুজ সবজি আর ফসলে আবার ভরে উঠেছে। কৃষকরা মরিচ, গাইঞ্জা ধান, মুলা, পেঁয়াজ, ডাঙ্গা, লাউসহ নানা সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কৃষকরা জানিয়েছেন, অন্যান্য বছরের মতো এবারো মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে।
জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে হাইব্রিড মরিচের ভালো ফলন পাওয়ায় কৃষকরা এ জাতের মরিচ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। চলতি অর্থবছরে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল চার হাজার হেক্টর জমিতে। উপজেলায় তিন হাজার ৭০৫ হেক্টর জমিতে মরিচ আবাদ হয়েছে বলে কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে।
সূত্র জানায়, সারিয়াকান্দির প্রায় সব অঞ্চলে মরিচ চাষ হলেও চরাঞ্চলে মরিচের চাষ অপেক্ষাকৃত বেশি। চালুয়াবাড়ী, হাটফুলবাড়ী, ফাজিলপুর, তেলীগাড়ী, গওলাডাঙ্গা, মানিকদাইড়, আউচারপাড়া, কাকালিহাটা, সবুজের পাড়া, চকরথিনাথ, দিঘাপাড়া, করনজাপাড়া, বনরপাড়া, কাজলা, জামথল, পাকুরিয়া, উত্তর টেংরাকুরা, চরঘাগুয়া, নব্বইয়ের চর, কটাপুর, বেড়া পাঁচবাড়িয়া, কুঁড়িপাড়া, বাওইটোনা, উত্তর বেনিপুর, দক্ষিণ বেনিপুর, চরবাটিয়া, চিলাপাড়া, চরপাড়া, মথুরাপাড়া, ইন্দুরমারা, ডাকাত মারা, মূলবাড়ী, ধারাবর্ষা, শংকরপুর, কমরপুর, মাঝবাড়ী, মাঝিয়া, হাতিয়াবাড়ী ও পৌতিবাড়ী চরে হাইব্রিড মরিচের আবাদ হয়েছে বেশি। এসব এলাকার সতেজ মরিচক্ষেত বাম্পার ফলনের জানান দিচ্ছে। গত বছর হাইব্রিড মরিচের ফলন হয়েছিল প্রতি হেক্টরে শুকনা ২ দশমিক ৪ মেট্রিক টন।
সারিয়াকান্দি সদরের মরিচচাষি আবদুল করিম জানান, গত বছর তিনি এক বিঘা জমি থেকে সারা বছর খেয়েও ৩৫ হাজার টাকা লাভ পেয়েছেন। এ বছর ক্ষেতের আবাদ গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক ভালো মনে হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ফলন আরো বেশি হবে বলে মনে হচ্ছে।
সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হালিম বলেন, গত কয়েক বছর ধরে হাইব্রিড মরিচের ভালো ফলন পাওয়ায় কৃষকরা এ জাতের মরিচ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

 



আরো সংবাদ