২০ অক্টোবর ২০২০

বাগাতিপাড়ায় সংস্কারের এক বছরে সড়কের বেহাল দশা

-

নাটোরের বাগাতিপাড়ার উপজেলা সদরের প্রধান ও জনগুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কারের এক বছরের মাথায় বেহাল অবস্থা হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। উপজেলার সোনাপাতিল এলাকার প্রধান সড়কটির আধা কিলোমিটার জুড়ে পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের উপরে পানি জমে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এই ভাঙা স্থানগুলোতে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ আরো বেড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
জানা যায়, উপজেলার প্রাণকেন্দ্র মালঞ্চিবাজার থেকে নাটোর-বাগাতিপাড়ার জনগুত্বপূর্ণ সড়কের কসবে মালঞ্চি পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার প্রশ্বস্তকরণ ও সংস্কার কাজ ২০১৮ সালের মে মাসে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) থেকে করা হয়; কিন্তু সড়কটির সংস্কারের বছর ঘুরতে-না-ঘুরতেই সোনাপাতিল এলাকায় আধা কিলোমিটার জুড়ে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটি সংস্কার করা হলেও পরিকল্পনার অভাবে এলাকায় পরের বছরই বিভিন্ন স্থানে ভেঙে ছোট-বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তা ছাড়া এই মহল্লাটি পৌর এলাকার হলেও পৌরসভা থেকে এলাকার পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি রাস্তায় জমে যায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার পাশাপাশি সড়কের ওই অংশে আরসিসি ঢালাইয়ের মতো স্থায়ী ও টেকসই ব্যবস্থার দাবি এলাকাবাসীর।
উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুর রহমান বলেন, সড়কটি মূলত পৌরসভার অধীনে। পৌরসভার সে সময় আর্থিক সক্ষমতা না থাকায় তাদের অনুমতি নিয়ে প্রশ্বস্তকরণ ও সংস্কার কাজটি করা হয়েছিল। আর এই সংস্কার বা নির্মাণের তিন বছর হওয়ার আগে নতুনভাবে সংস্কার করার প্রস্তাবনা দেয়ার নিয়ম নেই। তবে বিষয়টি নিয়ে তিনি মাসিক সভায় আলোচনা করবেন বলে জানান।
পৌর মেয়র মোশাররফ হোসেন বলেন, সড়কটি পৌরসভার অধীনে নয়, বরং এলজিইডির অধীনেই রয়েছে। তাই সেই সড়কে পৌরসভা থেকে অর্থ ব্যয় করতে পারেন না তিনি। তবে জনদুর্ভোগের বিষয় নজরে আসায় তিনি ইউএনওকে বিষয়টি জানিয়েছেন বলে জানান। ইউএনও প্রিয়াংকা দেবী পাল বলেন, সড়কটি জনগুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ঊর্ধ্বতনদের সাথে যোগাযোগ করে সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।

 


আরো সংবাদ