২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

বালুক্ষয়ে বিলীন হচ্ছে কুয়াকাটা ট্যুরিজম পার্ক

কুয়াকাটা সৈকতের বালুক্ষয় রোধে ফেলা হয়েছে জিও ব্যাগ : নয়া দিগন্ত -

কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটক ও আগন্তুকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থান একমাত্র ট্যুরিজম পার্কটি বালুক্ষয়ের কবলে পড়ে ক্রমশ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দর্শনের দুর্লভ সৈকত কুয়াকাটার মানচিত্র প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ছোট হয়ে আসে। অমাবস্যা ও পূর্ণিমার জোঁতে সাগরে সৃষ্টি হয় প্রচণ্ড ঢেউ। ভয়ানক ঢেউয়ের তাণ্ডবে বালুক্ষয়ে সৈকতের পরিধি ছোট হয়ে আসে। যে কারণে ঝুঁকিতে আছে সৈকতের একমাত্র ট্যুরিজম পার্কটি। এখনই সুরক্ষা না করলে খুব শিগগিরই পুরো সমুদ্রসৈকতটি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে ধারণা করছেন কুয়াকাটায় পর্যটকদের নিয়ে কাজ করা একাধিক সংগঠন ও অভিজ্ঞ মহল।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে গত ১০ মে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী ট্যুরিজম পার্কটি উদ্বোধন করেন। এর আগে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের অর্থায়নে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয় সাগরপাড়ে দৃষ্টিনন্দন এই পার্কটি নির্মিত হয়। পার্কটিতে রয়েছে বহুমুখী সুযোগ-সুবিধা। সাগরে গোসল করতে নামার আগে পর্যটকরা পার্কটিতে থাকা লকার ব্যবহার করতে পারেন। অন্তত দুই শ’ লকার রয়েছে। পার্কটি বাউন্ডারি ঘেরা। টিনশেড আধুনিক ডেকোরেশন সমৃদ্ধ একতলা আলাদা বিশ্রামাগার থাকছে। সেখানে সোফা থাকছে। এখানে বসেই উত্তাল সমুদ্রে দৃষ্টি রাখতে পারেন পর্যটকরা।
পুরুষ ও মহিলাদের আলাদাভাবে পোশাক-পরিচ্ছদ পাল্টানোর মতো স্পেস নিয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কক্ষ নির্মাণ করা হয়েছে। এমনকি পার্কসংলগ্ন সৈকতে বোল্ডার দিয়ে সাগরের ঢেউয়ে বেলাভূমি ক্ষয়রোধের বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হলেও তা আজ বিলীন হয়ে গেছে। উত্তাল ঢেউয়ে বেলাভূমির ক্ষয় রোধে জিও টিউব দেয়া হয়েছে। কিন্তু সবই আজ বিলীন হতে যাচ্ছে সাগরে। যদি এখনই সরকার কোনো পদক্ষেপ না নেয় তাহলে বিলীন হতে সময় লাগবে না দৃষ্টিনন্দন এই ট্যুরিস্ট পার্কটি।
সৈকতে অবস্থানরত ব্যবসায়ীরা বলেন, পূর্ণিমার রাতে যেভাবে সমুদ্রের পাড় থেকে বালু ক্ষয় হচ্ছে তাতে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ট্যুরিস্ট পার্কসহ গুরুত্বপূর্ণ ট্যুরিস্ট স্পটগুলো বিলীন হয়ে যেতে পারে। মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কুয়াকাটাবাসীর প্রত্যাশা তিনি যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে কুয়াকাটা সৈকতের বালুক্ষয় রোধে ব্যবস্থা নেন।
এ ব্যাপারে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে আছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। স্থায়ী বালুর বস্তা দিয়ে কাজ করার কথা রয়েছে। আশা করি খুব দ্রত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরো সংবাদ

নতুন বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সামনে আনলো ইরান (১৮৩৫০)ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : সেই রাতের ঘটনা আদালতকে জানালেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ (১১১৬৩)ক্রিকেট ছেড়ে সাকিব এখন পাইকারি আড়তদার! (১০৩৩৩)নর্দমা পরিষ্কার করতে গিয়ে ধরা পড়ল দৈত্যাকার ইঁদুর! (ভিডিও) (৮০৪১)করোনার দ্বিতীয় ঢেউ : বাড়বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি (৭৮৭৫)আজারবাইজানের পাশে দাঁড়ালেন এরদোগান, আর্মেনিয়াকে হুমকি (৬৮৩১)যে কারণে আবারো ভয়াবহ যুদ্ধে জড়ালো আর্মেনিয়া-আজারবাইজান (৬০৩৬)সিসিবিরোধী অব্যাহত বিক্ষোভে উত্তাল মিসর (৫৩৯৭)এবার মথুরা! ঈদগাহ মসজিদ সরিয়ে জমি ফেরানোর দাবিতে আদালতে ‘‌ভগবান শ্রীকৃষ্ণ’‌ (৫২৬৯)ড. কামাল ও আসিফ নজরুল ঢাবি এলাকায় অবা‌ঞ্ছিত : সন‌জিত (৪৭১০)