২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

নাঙ্গলকোটের তালতলা-লক্ষ্মীপদুয়া সড়কে দুর্ভোগ চরমে

নাঙ্গলকোটের তালতলা-লক্ষ্মীপদুয়া সড়কের বর্তমান অবস্থা। ছবিটি লক্ষ্মীপদুয়াবাজারের পশ্চিম পাশ থেকে তোলা : নয়া দিগন্ত -

সড়কে হাঁটুপানি দেখে বোঝার উপায় নেই এটি সড়ক নাকি ছোটখাটো পুকুর। বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতায় বিভিন্ন স্থানে হাঁটুপানি জমে যায়। হাঁটুপানি মাড়িয়ে সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারি অটোরিকশা, মালবাহী ট্রাক, ট্রাক্টর, ছোট-বড় যানবাহন ও পথচারীদের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলাচল করতে হয়। প্রায় ১২ বছর ধরে নাঙ্গলকোটের রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের বেহাল মাহিনী তালতলা-লক্ষ্মীপদুয়া সড়ক দিয়ে ছয় গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগ নিয়ে চলাচল করছে।
সড়কটি ঘুরে দেখা যায়, এলজিইডির সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির বিভিন্ন স্থানে কারপেটিং উঠে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। সড়কটির উত্তর মাহিনী হাফেজিয়া মাদরাসা, লক্ষ্মীপদুয়া বাজার ও লক্ষ্মীপদুয়া বাজার পার হয়ে পশ্চিমপাশে মাঈন উদ্দিনের পুকুরসংলগ্ন অংশে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা। সড়কটিতে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বড় বড় গর্তে পানি জমে এক অবর্ণনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে হাফেজিয়া মাদরাসা, লক্ষ্মীপদুয়া বাজার ও লক্ষ্মীপদুয়া বাজারের পশ্চিমপাশে মাঈন উদ্দিনের মৎস্য প্রজেক্টের পুকুরের পাশের সড়কে পানি উঠে যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বৃষ্টি হলে সড়ক ও পুকুর পানিতে একাকার হয়ে যায়। দীর্ঘদিনেও সড়কটি সংস্কার না করায় উত্তর মাহিনী, লক্ষ্মীপদুয়া, চারজানিয়া, মটুয়া, দৌলতপুর, খোশারপাড় ও ছুপুয়া গ্রামের লক্ষাধিক মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কটির তালতলা থেকে উত্তর মাহিনী আসার পথে তালতলাসংলগ্ন কালভার্টটি প্রায় এক বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে। যাত্রীবাহী ও মালবাহী যানবাহনগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণভাবে কালভার্ট পার হতে হয়।
লক্ষ্মীপদুয়া গ্রামের স্থানীয় সাংবাদিক কাউছার আলম মিয়াজী বলেন, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে সড়কটি পাকাকরণ করা হয়। এরপর থেকে গত ১২ বছরেও সড়কটি সংস্কার করা হয়নি। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, সড়কটি সরেজমিন পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে শিগগিরই সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে। ভাঙা কালভার্টের বিষয়ে তিনি বলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের মাধ্যমে কালভার্টটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।


আরো সংবাদ