০৬ আগস্ট ২০২০

স্থায়ী নিয়োগ চান শজিমেকের স্বেচ্ছাসেবী মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা

-
24tkt

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (শজিমেক) প্যাথলজি বিভাগের স্বেচ্ছাসেবী মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা (র্যাপিড স্যাম্পল কালেকশন টিম) সরকারের কাছে স্থায়ী নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।
তারা জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে শজিমেক হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) হিসেবে অদ্যাবধি কাজ করছেন। তারা প্রতিদিন যথাসময়ে হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে নমুনা সংগ্রহের কাজ করছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট রোগীর বেডে পৌঁছে দিচ্ছেন। তাদের এসব কার্যক্রম ডকুমেন্ট হিসেবে হাসপাতালে ফেসবুক সাইটে আপলোড করা আছে।
সাম্প্রতি রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে প্রথম ধাপে ১৪৫ জন স্বেচ্ছাসেবী মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকে স্থায়ী নিয়োগ দেয়া হয়। এই স্থায়ী নিয়োগের তালিকায় বগুড়ার ২০ জনের নাম থাকার কথা থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষে তাদের নাম আসেনি। ফলে অনেকটাই হতাশ হয়ে পড়েন তরা। পরে নিয়োগের দাবিতে শজিমেকের পরিচালক, প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপি দেন। এ ছাড়া বগুড়া জেলা প্রশাসক ও ডেপুটি সিভিল সার্জনকে অবহিত করেন।
শজিমেকের প্যাথলজি বিভাগের স্বেচ্ছাসেবী আবদুল হানিফ, জিম হোসেন, সজল কুমার সরকার, ফুলবার আলী, মিল্টন খন্দকার, রূপালী খাতুন লিখিত অভিযোগে বলেন, মানবিক কারণেই তাদের স্থায়ী নিয়োগ দেয়া দরকার।
সিনিয়র টেকনোলজিস্ট আরমান হোসেন বলেন, সাবেক পরিচালক ব্রি. জে. ডা: মো: গোলাম রসুল এবং স্বাস্থ্য সচিব মহোদ্বয় হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে আমাদের আশ্বাস দিয়েছিলেন, স্থায়ী নিয়োগের সুযোগ এলে আমাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। কিন্তু সেটির বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমান করোনা ক্রান্তিকালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে আমরা ল্যাবে পৌঁছে দিচ্ছি। শুনেছি দ্বিতীয় ধাপে আরো কিছু স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেয়া হবে এই তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।


আরো সংবাদ