১০ আগস্ট ২০২০

নোয়াখালীতে যৌতুকের অভিযোগ তদন্তে গিয়ে বাড়ি ভাঙচুর

-
24tkt

নোয়াখালীতে যৌতুক দাবির অভিযোগ তদন্তে গিয়ে স্বামীর বাড়িতে ভাঙচুর করেছে সাদা পোশাকধারী কিছু লোক। এ সময় তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। বাড়ির লোকজন অভিযোগ করে, ভাঙচুর শেষে এসআই জাহাঙ্গীর আলম বাড়ি থেকে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। রোববার রাতে নোয়াখালী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাশেম কন্ট্রাক্টরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।
এ দিকে ভুক্তভোগী পরিবার সুধারাম মডেল থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলমকে অভিযুক্ত করে নোয়াখালী জেলা কোর্টে একটি মামলা করেছে। তাদের দাবি, এসআই জাহাঙ্গীর আলমের সাথে সাদা পোশাকধারী লোকগুলো বাড়িতে এসে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।
মিজানুর রহমান ও সায়মা আহম্মদ জানান, আমার ভাই সুলতান আহম্মদের স্ত্রী কামরুননাহার স্মৃতির বেপোরোয়া চলাফেরার কারণে পরিবারে ঝগড়া-ফাসাদ লেগে থাকত। যখন সে তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে পারেনি সে গত ২২/৬/২০ইং তারিখে কোর্টের মাধ্যমে তার স্ত্রী কামরুননাহার স্মৃতিকে তালাক দেয়। তালাকের পর থেকে তার সাথে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই। আমাদের হয়রানি করার জন্য কামরুননাহার ওই তালাকের বিষয় গোপন রেখে ৪ জুলাই থানায় একটি যৌতুকের অভিযোগ করে। সে অভিযোগের ভিত্তিতে এসআই জাহাঙ্গীর আলম তার সাথে ৭-৮ জন সাদা পোশাকধারী লোক নিয়ে তদন্তের নামে এসে ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় বাড়িতে থাকা একটি মোটরসাইকেল তালা ভেঙে এসআই জাহাঙ্গীর নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে সুধারাম মডেল থানার অভিযুক্ত এসআই জাহাঙ্গীর আলম তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সুলতান আহম্মদের স্ত্রী কামরুননাহার তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় এসে যৌতুকের অভিযোগ দেয়। তার আলোকে আমি বিষয়টি তদন্ত করতে যাই। ওই বাড়িতে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। এসব মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। তবে সুলতান আহম্মদের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল থানায় নিয়ে আসা আমার ঠিক হয়নি। এখন কেউ আসলে তা দিয়ে দেবো।
থানার ওসি নবীর হোসেন বলেন, এক মহিলা স্বামীর নামে যৌতুক চাওয়ার অভিযোগ করেছে। পুলিশ তদন্ত করেছে। কোনো ভাঙচুর করে নাই। এটা তারা মিথ্যা কথা বলছে।


আরো সংবাদ