০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৬ অগ্রহায়ন ১৪২৮, ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি
`

তাইওয়ান ইস্যুতে আপসের সুযোগ নেই : চীন

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র উ কিয়ান - সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রকে চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তাইওয়ান ইস্যুতে আপসের কোনো সুযোগ নেই। এর মাধ্যমে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়টা নিশ্চিত করেছে যে তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো আপস হবে না। বৃহস্পতিবার এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে আল-জাজিরা।

বৃহস্পতিবার চীন-মার্কিন সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার সময় এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র উ কিয়ান বলেন, একটি স্বাভাবিক ও স্থায়ী সম্পর্কের মাধ্যমে উভয়পক্ষই (চীন ও যুক্তরাষ্ট্র) লাভবান হচ্ছে। যদিও বেশকিছু দিন ধরে তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দায়িত্বজ্ঞানশূন্য কথা বলছে এবং উত্তেজক আচরণ করছে। এছাড়া তারা তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চলে যুদ্ধযাহাজ ও জঙ্গি বিমান পাঠিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, চীনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করা যাবে না। বিশেষ করে তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো আপস করবে না চীন। এ বিষয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষের কোনো মতিভ্রম থাকা উচিৎ হবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন এক ভার্চুয়াল গণতান্ত্রিক সম্মেলনে তাইওয়ানকে আমন্ত্রণ জানানোর পর চীনের পক্ষ থেকে এমন বিবৃতি দেয়া হয়। ওই গণতান্ত্রিক সম্মেলনে তাইওয়ানই একমাত্র আমন্ত্রিত সদস্য যাদেরকে যুক্তরাষ্ট্র কোনো সার্বভৌম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।

তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র এক ধরনের অস্পষ্ট কৌশলগত নীতি অবলম্বন করে। মার্কিন কর্তৃপক্ষ তাইওয়ানকে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা দেয়। এছাড়া তাইওয়ানকে গণতন্ত্রের বাতিঘর বলে অভিনন্দনও জানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে চীন মনে করে, তাইওয়ান তার বিছিন্ন হওয়া এক প্রদেশ। যদিও এ দীপাঞ্চলটিতে এখন স্বশাসন চলছে। চীন চায় না কোনো দেশ তাইওয়ানের সাথে কূটনীতিক সম্পর্ক রাখুক। চীন বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে চাপ দিচ্ছে যাতে করে তারা তাইওয়ানের সাথে কূটনীতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে বা অবনমন করে।

অপরদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, তাইওয়ানের স্বাধীনতা হবে আগুন নিয়ে খেলা করার মতো বিষয়।

সূত্র : আল-জাজিরা



আরো সংবাদ