১৫ আগস্ট ২০২০

সড়ক আইন বাস্তবায়নের কতটুকু উপযুক্ত ঢাকা

-
24tkt

ঢাকায় রাস্তা কম, গাড়ি বেশি। তার চেয়ে বেশি গণপরিবহনের যাত্রী। ফলে গাড়িতে উঠতে গিয়ে রীতিমতো প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয় যাত্রীরা। বেশির ভাগ গাড়িচালকের বৈধ লাইসেন্স নেই। ফিটনেস নেই বাস-মিনিবাসের। রাস্তা ভাঙাচোরা। অলিগলির রাস্তা অপরিকল্পিতভাবে জুড়ে দেয়া হয়েছে মূল রাস্তার সাথে। রাস্তাঘেঁষে গড়ে উঠেছে দোকানপাট। সব মিলিয়ে চরম বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ ঢাকার পরিবহন খাতটিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সবার আগে অবকাঠামোগত উন্নয়ন দরকার বলে মনে করছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞরা।
প্রত্যেক মোটরযান চালক সিগন্যাল বাতি মেনে চলবেন। একইভাবে ট্রাফিক সাইন, সঙ্কেতের মতো বিষয়গুলোও মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে নতুন সড়ক পরিবহন আইনে। কোনো চালক এসব না মানলে সেটি আইনের ৪২ নম্বর ধারায় অপরাধ বলে গণ্য হবে, যার শাস্তি এক মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড এবং চালকের এক পয়েন্ট কর্তন। কিন্তু ঢাকার ট্রাফিক সিগন্যাল বাতিগুলো বর্তমানে যে পদ্ধতিতে ব্যবহার হচ্ছে, তাতে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৪২ নম্বর ধারা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে ভজকট অবস্থা সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞরা।
সড়ক পরিবহন আইনের ৪৭ ধারায় বলা আছে, নির্ধারিত এলাকা ব্যতীত মোটরযান পার্কিং করা যাবে না। একইভাবে যাত্রী বা পণ্য ওঠানামার নির্ধারিত স্থান ও সময় ছাড়া মোটরযান থামানো যাবে না। আইনের এ বিধান লঙ্ঘন করলে অভিযুক্ত চালকের অনধিক পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের এক পয়েন্ট কেটে নেয়া হবে। তবে মোটরযান চালকদের অভিযোগ, ঢাকায় পার্কিং ও যাত্রী বা পণ্য ওঠানামার জন্য নির্ধারিত স্থান প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। ফলে যাত্রী বা পণ্য তুলতে-নামাতে বাধ্য হয়েই অনির্ধারিত স্থানে গাড়ি থামাতে হয়। তাদের মতে, পার্কিং ও যাত্রী ওঠানামার পর্যাপ্ত স্থান না পেলে আইনের এ ধারা মান্য করা সম্ভব হবে না। পথচারীদের সড়ক পারাপারে জেব্রা ক্রসিং, ফুটওভারব্রিজ ও আন্ডারপাস ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে নতুন আইনে। আইনটির ৪২ নম্বর ধারা অনুযায়ী সড়ক পারাপারে এসব ব্যবহার না করা দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে জেব্রা ক্রসিং, ফুটওভারব্রিজ, আন্ডারপাসগুলোর মান ও নকশা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে পথচারীরা। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. সামছুল হক বলেন, পরিবহন পরিকল্পনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো অবকাঠামো। কিন্তু আমরা সেদিকে জোর না দিয়ে কঠোর আইন করে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছি। এটা যেমন বাস্তবসম্মত নয়, তেমনি বিজ্ঞানসম্মতও নয়।

 


আরো সংবাদ

ধীরে ধীরে করোনার প্রকোপ কমে যাচ্ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাইওয়ানের সাথে বিশাল অস্ত্র চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের; ক্ষিপ্ত চীন আরব আমিরাতের বিশ্বাসঘাতকতার বিষয়ে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া কুমিল্লায় আরো ৫২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত এদেশের চলচ্চিত্র স্থান নেবে বিশ্বাঙ্গনে : তথ্যমন্ত্রী নোয়াখালীতে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ ৩ পর্যটক বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সামরিক সচিবের শ্রদ্ধা যেভাবে ভারতের ধর্মীয় রাজনীতির ছায়া পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ছাগলনাইয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্র নিহত নবীজীর অপমান করে পোস্টের প্রতিবাদ : ভারতে নিষিদ্ধ হতে পারে এসডিপিআই ডি জে শাকিল সম্পর্কে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

সকল