২০ অক্টোবর ২০২১, ৪ কার্তিক ১৪২৮, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি
`

তিউনিসিয়ায় প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ

তিউনিসে প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ - ছবি : রয়টার্স

তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী তিউনিসে এক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার তিউনিসের হাবিব বুরগুইবা অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে শত শত অংশগ্রহণকারী এই দাবি তোলেন।

বিক্ষোভকারীরা 'জনগণ অভ্যুত্থানের পতন চায়' বলে স্লোগান দেন।

ব্রিটেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের কাছে এক বিক্ষোভকারী বলেন, 'তিনি (সাইদ) এক স্বৈরশাসক যিনি বিপ্লবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন এবং গণতন্ত্রের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তিনি সব ক্ষমতা হাতে নিয়েছেন। এটি অভ্যুত্থান এবং আমরা রাস্তা থেকেই তা প্রতিহত করবো।'

গত ২৫ জুলাই করোনা পরিস্থিতিতে তিউনিসিয়ায় সৃষ্ট দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় জেরে আকস্মিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর রাতে প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদ দুই বছর আগে নির্বাচিত পার্লামেন্ট ৩০ দিনের জন্য স্থগিত, প্রধানমন্ত্রী হিশাম মাশিশিকে বরখাস্ত ও দেশের নির্বাহী ক্ষমতা নিজের হাতে নেয়ার ঘোষণা দিয়ে আদেশ জারি করেন।

পরে ২৩ আগস্ট 'রাষ্ট্রের জন্য হুমকি' বিবেচনায় পরবর্তী আদেশ দেয়া না পর্যন্ত পার্লামেন্ট স্থগিত রাখার আদেশ দেন প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদ।

অপরদিকে ২২ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধানের কিছু অংশ স্থগিত করার মাধ্যমে নিজের ক্ষমতা জোরদার করেন সাইদ।

তিউনিসিয়ার রাজনৈতিক দলগুলো এই আদেশকে 'সাংবিধানিক অভ্যুত্থান' বলে অভিযোগ করে আসছে।

২৬ জুলাই দেশটির বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আননাহদার প্রধান ও পার্লামেন্ট স্পিকার রশিদ গানুশিসহ দলীয় পার্লামেন্ট সদস্য ও সমর্থকরা রাজধানী তিউনিসে পার্লামেন্টের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। অপরদিকে প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদের সমর্থকরাও পার্লামেন্টের সামনে জড়ো হন। এই সময় দুই পক্ষের মধ্যে পরস্পরের প্রতি পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করেছিলেন প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদ। একইসাথে তিনজনের বেশি লোককে প্রকাশ্যে জমায়েত হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিলো।

এছাড়া বেশ কিছু মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করেন কায়েস সাইদ। এছাড়া বিভিন্ন অভিযোগে বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাকে দেশটিতে গৃহবন্দী করা হয়েছে।

তিউনিসিয়ার রাজনৈতিক দলগুলো প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদের এসব পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে দেশটিতে স্বৈরাচারী শাসন ফিরে আসার শঙ্কায় আছেন।

২০১১ সালে আরব বসন্তের সূচনাকারী দেশ তিউনিসিয়ায় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জেরে ২৪ বছর দেশটি শাসন করা একনায়ক জাইন আল আবেদীন বিন আলী ক্ষমতাচ্যুৎ হন। এর পর থেকেই গত দশ বছর ভঙ্গুর অবস্থা সত্ত্বেও আরব বিশ্বের একমাত্র গণতান্ত্রিক শাসন উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে চালু ছিলো।

সূত্র : রয়টার্স



আরো সংবাদ


স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে হেরে আখেরে ‘লাভ’ হলো বাংলাদেশের? (৪৫০০৪)আমাকে সম্মান দিয়ে কথা বলুন, বিএনপির উদ্দেশে মুরাদ হাসান (২৬১৯৫)বিয়ের প্রলোভনে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীকে ধর্ষণ, আসামি গ্রেফতার (২৩৩১৩)ফুটপাতের যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু (১৬৫৫২)কাবার অবমাননায় পোস্ট, রংপুরে কিশোর পরিতোষ গ্রেফতার (১৬৩৭৬)পৃথিবী পাঁচ শক্তির চেয়েও বড় : এরদোগান (১০০১২)অগ্নিসংযোগ নয়, পরিমলের ঘর পুড়েছে কলা পাকানোর আগুনে (৯৮১২)আম্পায়ার দিলেন আউট, হেটমায়ারকে ফিরিয়ে নিলেন বাবর আজম (৯৬৫২)কুমিল্লার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শনাক্ত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (৭২৫৩)সমুদ্রসীমায় ভারতীয় সাবমেরিন আটকালো পাকিস্তানি নৌবাহিনী (৫৯২৮)