২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২ আশ্বিন ১৪৩০, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৫ হিজরি
`

সুন্দরবনে মাছ ধরা ও পর্যটনে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা ১ জুন থেকে


মাছ ও বন্যপ্রাণীর বংশবৃদ্ধি, বিচরণ এবং প্রজনন কার্যক্রমের সুরক্ষায় আগামী ১ জুন থেকে তিন মাসের জন্য বন্ধ হচ্ছে সুন্দরবন। এ সময় পর্যটক প্রবেশ ও সাধারণ মানুষের চলাচলসহ নদী-খালে মাছ শিকারও বন্ধ থাকবে।

এছাড়া এবারের মওসুমে সরকারি সপ্তাহিক ছুটির শনিবার শেষ দিন। তাই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে করমজলে ভিড় করছে দেশ-বিদেশী দর্শনার্থীরা।

সুন্দরবন মৎস্য সম্পদের ভাণ্ডার নামে পরিচিত। তাই মাছের প্রজনন ও বন্যপ্রাণী বংশবৃদ্ধি নির্বিঘ্ন করতে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের নৌযান, পর্যটকবাহী লঞ্চ-জালীবোটসহ সকল প্রকারের জেলে বাওয়ালি বনে প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে গত ২০ মে থেকে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়েছে। এ নির্দেশনা থাকবে আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত।

এছাড়া আগামী ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে মাছ ধরতে পারবে না জেলেরা। পাশাপাশি ঢুকতে পারবে না কোনো পর্যটকও।

এ সময়ের মধ্যে কোনো নৌযানও চলাচল করতে পারবে না সুন্দরবনসহ কোনো পর্যটক স্পটে।

বন বিভাগ এ মৎস্য অফিসের তথ্যানুযায়ী, এখন সুন্দরবনে ২৫১ প্রজাতির মাছের প্রজনন মওসুম। তাই বনবিভাগ থেকে জেলেদের জন্য সকল প্রকারের পাস পারমিট বন্ধ রাখা হবে।

বনের নদী ও খালে নৌযান চলাচল করলে মাছের ডিম ছাড়তে সমস্যা হবে। তাই সকল ধরনের নৌযান চলাচলও বন্ধ থাকবে।

বনে ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ৩৫ প্রকারের সরীসৃপ, ৪২ প্রকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী রয়েছে। এখন তাদের প্রজনন মওসুম চলছে, এ জন্যই এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।

এদের মধ্যে প্রধান বন্যপ্রাণী হলো বাঘ, হরিণ, শুকর, বানর, কুমির, ডলফিন, ভোদড়, বন বিড়াল ও মেছ বাঘ।

এছাড়া অন্যান্য বন্যপ্রাণীর প্রজননের ওপর গুরুত্ব বেশি দেয়া হয়েছে বলে জানায় বন বিভাগ।

এই সময় নদী ও খালে নৌযান বা পর্যটকরা বনের অভ্যন্তরে চলাচলের সময় শব্দ করলে প্রজনন বিঘ্নিত হবে। তাই নৌকা বা ট্রলার নিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ।

আর পর্যটকদের জন্য দেশের একমাত্র বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র করমজল, পর্যটক স্পট হারবাড়িয়া, কটকা, কচিখালী, জিরোন পযেন্ট, নিল কমল, দুবলা, আলোর কোল, টাইগার পয়েন্ট কলাগাছিয়াসহ ১১টি স্পটে বন্ধ হচ্ছে পর্যটক প্রবেশ।

সব মিলিয়ে পর্যটক ও জেলেদের মাছ আহরণ এই তিন মাস বন্ধ ঘোষণা করছে সরকারের পক্ষ থেকে।

সে জন্য মওসুমের শেষ সময় দেশের দূর দূরন্ত থেকে পর্যটকরা করমজলে ভিড় করছে, আসছে দেশ-বিদেশী দর্শনার্থীরা।

এ ব্যাপারে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, সরকার তার রাজস্বের দিকে না তাকিয়ে সুন্দরবনের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এবং বনের গহীন মাছের ও বন্য প্রাণীর বংশ বৃদ্ধির লক্ষে এবং পশু পাখির প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বন বিভাগের পক্ষ থেকে।

তিনি আরো বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধের এই তিন মাস হরিণসহ সকল প্রকারের বন্যপ্রাণী শিকার ও সুন্দরবনের নদী-খালে বিষ দিয়ে মাছ আহরণ বন্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে বন বিভাগ। সূত্র : ইউএনবি


আরো সংবাদ



premium cement
ভারতে পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি বিদেশে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের প্রভাবিত করবে না : দীপু মনি ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনের কোনো সুযোগ নেই’ তামিম ইস্যুতে রাত ১১টায় মুখ খুলবেন সাকিব! ফেনীতে যুবলীগ নেতাকে পুলিশে দিলেন নিজাম হাজারী ভিসা নীতি আমেরিকার নিজস্ব ব্যাপার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাখের নিচে স্বর্ণের ভরি বাংলাদেশ-জাপান ও উত্তর-পূর্ব ভারতকে সংযুক্ত করে প্ল্যাটফর্ম গঠনের সুপারিশ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে প্রধান বিচারপতির প্রতি ইউএলএফের আহ্বান মালয়েশিয়ায় এক রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু

সকল