০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯, ১০ রজব ১৪৪৪
ads
`

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ‘সাড়ে ৩ মাস’ ট্রেন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ‘সাড়ে ৩ মাস’ ট্রেন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত - প্রতীকী ছবি

আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজের জন্য এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। রেল কর্মকর্তা ধারণা করছেন, আগামী সাড়ে তিন মাস পর ফের এই রুটে রেল চলাচল শুরু হবে।

বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রেলপথ মন্ত্রণালয় তরফ থেকে বলা হয়, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা থেকে গেন্ডারিয়া অংশে তিনটি পৃথক রেল লাইনের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলকারী সব ট্রেন ৪ ডিসেম্বর থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

ওই কাজ শেষে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে আবার ট্রেন চলাচল শুরু হবে বলে রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। তবে বিজ্ঞপ্তিতে কোনো সময় উল্লেখ করা হয়নি। রেল কর্মকর্তাদের ধারণা, এ কাজে অন্তত সাড়ে তিন মাস লাগতে পারে। যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

প্রসঙ্গত, কমলাপুর স্টেশন থেকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লাইন এবং পদ্মা সেতু প্রকল্পের রেললাইন পাশাপাশি গেছে গেন্ডারিয়া পর্যন্ত। সেখান থেকে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের লাইন কেরাণীগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর, মাওয়া, পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা জংশন দিয়ে যশোর পর্যন্ত যাবে। ১৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ডুয়েলগেজ লাইন নির্মাণে ব্যয় হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা।

এদিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লাইনও ডাবল লাইন ও ডুয়েল গেজে রূপান্তরের কাজ চলছে। এজন্য সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

অর্থাৎ কমলাপুর থেকে গেন্ডারিয়া পর্যন্ত ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ বিদ্যমান মিটারগেজ লাইনটি ডুয়েলগেজ করা হবে এবং পাশে আরেকটি নতুন ডুয়েলগেজ লাইন নির্মাণ করা হবে। এখনকার লাইনের আরেক পাশে আরেকটি ডুয়েলগেজ লাইন হবে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পে জন্য।

১২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথে প্রতিদিন ২৬টি ট্রেন চলে। তাতে পাশাপাশি দুই নগরে যাতায়াত করেন ৩০ হাজারের মতো যাত্রী। ট্রেন বন্ধ থাকলে সেই চাপ পড়বে সড়কে।


আরো সংবাদ


premium cement